
থাংবই সিংটোর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। গত মরসুমে ইস্টবেঙ্গলের স্পোর্টস হেড ছিলেন থংবই সিংটো। মূলত কোচ ও থিঙ্কট্যাঙ্কের মধ্যে সেতুর কাজ করতেন তিনি। কিন্তু চলতি মরসুমে সিংটোকে কি একই ভূমিকায় দেখা যাবে? খোঁজ নিতেই ঝুলি থেকে বিড়াল বেরনোর জোগাড়। শোনা যাচ্ছে, সিংটোকে নিয়ে বিরক্তি বাড়ছে লাল-হলুদের অন্দরে। এনিকি, অন্তর্ঘাতের অভিযোগও উঠছে।
কী অভিযোগ সিংটোর বিরুদ্ধে?
ভারতীয় ফুটবলে কোনোভাবেই লগ্নি করতে নারাজ ইমামি গোষ্ঠী। কিন্তু আনোয়ার, জিকসন সহ একাধিক ভারতীয় ফুটবলারের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি রয়েছে। তা মিটিয়ে দেওয়া লগ্নিকারী সংস্থার দায়িত্ব। আর এমন মঞ্চেই সিংটোর আগমন। সূত্রের খবর, একাধিক ফুটবলারকে ফোন করেন সিংটো। বোঝানো হয়, ইনভেস্টররা সরে যাচ্ছেন। তাই ফুটবলারদের রিলিজ করা হতে পারে।
সিংটোর অনৈতিক ভূমিকা নিয়ে ঝড় চলছে। চলতি মরশুমে আইএসএলের পাশাপাশি এএফসি’র স্লট পেয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। শক্তিশালী দল গড়ার চেষ্টায় কর্তারা। আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে কোচ হিসাবে নিয়োগ করা তারই ইঙ্গিত। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কেউই বড়ো নন। তাই সিংটো হঠাও সুর চড়ছেই। গতবার হামিদ আহাদাদ ও হিরোশির মতো বিদেশিকে স্পট করার নেপথ্যে ছিলেন তিনি। দুই বিদেশিই ডালা ফেল। কান পাতলে শোনা যায়, চিফ কোচের সঙ্গেই দীর্ঘদিন বাক্যালাপ ছিল না তাঁর। কিন্তু এবারের ঘটনা সবকিছুই ছাপিয়ে গেল।
বড় দায়িত্ব পেতে পারেন আলভিটো
তবে শোনা যাচ্ছে, এই জায়গায় আসতে চলেছেন প্রাক্তন ফুটবলার আলভিটো ডি' কুনহা। এর আগে আইএসএল জেতানো কোচ অস্কার ব্রুজো কিন্তু এই আলভিটোকেই দলের 'ক্যানসার' পর্যন্ত বলেছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন, কাট্মানি নেওয়ারও। যদিও কখনই অস্কারকে পাল্টা কিছুই বলেননি আলভিটো। শুধু জানিয়েছিলেন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ভাল যাতে হবে সেটাতেই তাঁর সমর্থন আছে। কোচ অস্কার নেই। দায়িত্বে এসেছেন আন্তনিও লোপেজ হাবাস। তাঁর সঙ্গে দল গঠনের ব্যাপারে কথা বলবেন আলভিটো। এদিকে ইমামি ছেড়ে যাওয়ার পর, আমুল সম্ভবত কো স্পন্সর হিসেবে যোগ দিতে পারে।