
চোটের মেঘ কেটে কি তবে দেখা মিলবে স্বস্তির রোদ্দুর। ব্রাজিল শিবিরে এখন এই একটাই প্রশ্ন। বিশ্বকাপের নক-আউট পর্বের হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে সেলেসাও শিবিরে বড়সড় স্বস্তির খবর, চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরলেন তারকা ফরোয়ার্ড রাফিনহা। তবে অনুশীলন কেন্দ্রে তাঁকে দেখা গেলেও, নরওয়ের বিরুদ্ধে হাইভোল্টেজ রাউন্ড অফ সিক্সটিনের ম্যাচে তাঁর মাঠে নামা নিয়ে রয়ে গিয়েছে মস্ত বড় এক সংশয়।
হাইতির বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পেশির চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল রাফিনহাকে। মাঠেই তাঁর যন্ত্রণাকাতর অভিব্যক্তি দেখে ফুটবলপ্রেমীদের মনে আশঙ্কার মেঘ দানা বেঁধেছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, রাফিনহার বিশ্বকাপ অভিযান হয়তো সেখানেই শেষ হয়ে গেল। কিন্তু সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে, নরওয়ে ম্যাচের ঠিক আগেই ব্রাজিলের অনুশীলন কেন্দ্রে দেখা গেল এই তারকা উইঙ্গারকে। যা স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি ফিরিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের শিবিরে।
অনুশীলন কেন্দ্রে রাফিনহার উপস্থিতি ব্রাজিল ভক্তদের মনে আশা জাগালেও, ম্যাচের আগে বাস্তব পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। বিভিন্ন ক্রীড়া সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাফিনহা মাঠে ফিরলেও এখনও সম্পূর্ণভাবে দলের সঙ্গে পুরোদমে অনুশীলন শুরু করতে পারেননি। তাঁর শতভাগ ফিট হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে চোটগ্রস্ত রাফিনহাকে নিয়ে কোনওরকম তাড়াহুড়ো বা ঝুঁকি নিতে চাইছে না ব্রাজিলের টিম ম্যানেজমেন্ট। ফলে নরওয়ের বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচে তাঁর খেলার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ বলেই মনে করা হচ্ছে। ব্রাজিল শিবিরের মূল লক্ষ্য এখন রাফিনহাকে নক-আউটের পরবর্তী পর্বগুলোর জন্য সম্পূর্ণ ফিট করে তোলা। যদি সেলেসাওরা নরওয়ের বাধা টপকে কোয়ার্টার ফাইনালে নিজেদের টিকিট পাকা করতে পারে, তবেই হয়তো হলুদ জার্সিতে আবার মাঠে ঝড় তুলতে দেখা যাবে রাফিনহাকে।