
ডুরান্ড কাপ শেষ লগ্নে পৌঁছে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালে চলে গিয়েছে ৪টি দল। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড ও এসসি দিল্লি। কোয়ার্টার ফাইনালে জামশেদপুর FC-কে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে গিয়েছে মোহনবাগান। অন্যদিকে যুবভারতীয় ক্রীড়াঙ্গনে দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল ১-০ গোলে ইন্ডিয়ান আর্মিকে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। সেমিফাইনালে মোহনবাগান মুখোমুখি হবে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল খেলবে এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে। যদি দুটি ম্যাচেই মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল জিতে যায়, তাহলে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে আরও একটি ডার্বি দেখবে দেশ।
ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ কবে?
ডুরান্ড কাপে ২০ অগাস্ট নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে মোহনবাগান। সন্ধে ৭টায় ম্যাচ শুরু হবে শিলঙের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে। যার নির্যাস, সেমিফাইনালে মোহনবাগানকে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে হবে। সল্টলেক স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে জামশেদপুর এফসি-র সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ হয়েছে মোহনবাগানের। প্রথম দুই মিনিটে সাহাল আবদুল সামাদের গোলে মোহনাবাগান এগিয়ে গেলেও পরে সমতা ফেরায় জামশেদপুর। ম্যাচ পেনাল্টি পর্যন্তও গড়ায়।
জামশেদপুর এফসি-র শেষ ম্যাচ
বস্তুত ভারতীয় ফুটবল থেকে মুছে যাওয়ার আগে ডুরান্ড কাপ জিততে মরিয়া ছিল জামশেদপুর এফসি। ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালই ছিল তাদের শেষ ম্যাচ। এর পর আর ভারতীয় ফুটবলে দেখা যাবে না জামশেদপুর এফসি-কে। টাকার অভাবে জামশেদপুর এফসি ISL থেকেও নাম তুলে নিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ক্লাবের আইএসএল স্পোর্টিং লাইসেন্সসহ মালিকানা চার্চিল ব্রাদার্স এফসি-র কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মাত্র ১০০ টাকার টোকেন মূল্যে এই ঐতিহাসিক হস্তান্তরটি সম্পন্ন হয়। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে জামশেদপুর এফসি-র বর্তমান কোচিং স্টাফ এবং ১২ জন ফুটবলার চার্চিল ব্রাদার্সের নতুন মালিকানার অধীনে চলে যাবেন এবং তাদের লাইসেন্স নিয়ে দলটি আসন্ন আইএসএল-এ অংশ নেবে। তাই ডুরান্ড কাপই ছিল জামশেদপুর এফসি-র শেষ টুর্নামেন্ট।
ডুরান্ড কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ১৯ অগাস্ট এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে নামবে ইস্টবেঙ্গল। ইস্টবেঙ্গলের ক্ষেত্রে অ্যাডভান্টেজ হল, ঘরের মাঠে নামবে। সল্টলেক স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু হবে সন্ধে ৭টা। ইন্ডিয়ান আর্মিকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল।
ডুরান্ড কাপের ফাইনাল কবে?
নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড কঠিন প্রতিপক্ষ। তাও আবার অ্যাওয়ে ম্যাচ। তাই মোহনবাগানের কাছে ফাইনালে ওঠা বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলের অ্যাডভান্টেজ হল,ঘরের মাঠে খেলতে নামবে। এ বছরের ডুরান্ড কাপ শুরু হয়েছিল মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ দিয়ে। ফাইনালেও কি কলকাতা ডার্বি? অপেক্ষা ২৩ অগাস্ট। ওই দিনই ফাইনাল।