
ডুরান্ড কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ অর্থাত্ বৃহস্পতিবার নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে নামছে। ইতিমধ্যেই দিল্লি এফসি-কে হারিয়ে ডুরান্ডের ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। আজ যদি নর্থ-ইস্টকে হারাতে পারে মোহনবাগান, তাহলে টুর্নামেন্টের ফাইনালেও ডার্বি হবে। অর্থাত্ কলকাতা ডার্বি দিয়ে শুরু হয়েছিল ডুরান্ড কাপ, কলকাতা ডার্বি দিয়েই শেষ হবে।
মোহনবাগান কীভাবে সেমিফাইনালে পৌঁছল?
ডুরান্ডের সফরে এখনও পর্যন্ত অপ্রতিরোধ্যই থেকেছে মোহনবাগান। ডুরান্ড কাপের প্রথম ম্যাচ ছিল ২৫ জুলাই। সল্টলেক স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে হারায় মোহনবাগান। Group A-তে জয় দিয়েই ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করে মোহনবাগান।
এরপর ডুরান্ডের দ্বিতীয় ম্যাচে সাউথ ইউনাইটেডকে হারায় মোহনবাগান। ডার্বিতে জয়ের পরেই আত্মবিশ্বাসী মোহনবাগান সাউথ ইউনাইটেডকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দেয়। দুরন্ত পারফর্ম্যান্স করে হ্যাটট্রিক করেন মনবীর সিং। ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের উপর আধিপত্য বজায় রেখে একের পর এক গোল করে মোহনবাগান। যার নির্যা ৮ গোলের এই বিশাল জয়। একই সঙ্গে গ্রুপ ‘এ’-তে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল সবুজ-মেরুন।
এরপর ১০ অগাস্ট CISF প্রটেক্টর্সকে ৬-০ গোলে হারায় মোহনবাগান। কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিরাট জয়। ৩ ম্যাচে ১৫টি গোলের মালিক হয়ে যায় মোহনবাগান।
জামশেদপুরের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি অবশ্য অনেক বেশি কঠিন ছিল মোহনবাগানের কাছে। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ গোলে শেষ হয়। মোহনবাগানের হয়ে গোল করেন সাহাল আবদুল সামাদ, জবাবে জামশেদপুরের হয়ে গোল শোধ করেন দেবেন্দ্র মুরগাঁওকর। এরপর দীর্ঘ টাইব্রেকারে শেষ পর্যন্ত ৯-৮ গোলে জয় পায় মোহনবাগান।
ডুরান্ড কাপ জিততে আর একটি ম্যাচ ইস্টবেঙ্গলের সামনে
ডুরান্ড কাপের ফাইনাল ১৯ অগাস্ট। আজ দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচ শুরু হবে সন্ধে ৭টায়। আজই বোঝা যাবে, ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি মোহনবাগান হতে চলেছে কিনা। যদি তা হয়, তাহলে একটি ঐতিহাসিক ডরান্ড ফাইনালের সাক্ষী হবে যুবভারতী। বস্তুত, ইস্টবেঙ্গল শেষবার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল মোহনবাগানকে ফাইনালে হারিয়েই। ২০০৪ সালের ডুরান্ডের কলকাতা ডার্বিতে জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। ওটা ছিল ফাইনাল। ২-১ গোলে মোহনবাগানকে হারিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। সে আজ থেকে ২২ বছর আগের কথা। তার পর থেকে আর ডুরান্ড জিততে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।