Advertisement

East Bengal wins Durand Cup : এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, মোহনবাগানকে হারিয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড জয় ইস্টবেঙ্গলের

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। ১০ মিনিটের মাথায় মহম্মদ রশিদের পাস থেকে বল পেয়ে গোল করে লাল-হলুদকে এগিয়ে দেন বিপিন।

ডুরান্ড কাপ জিতল মোহনবাগান ডুরান্ড কাপ জিতল মোহনবাগান
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 23 Aug 2026,
  • अपडेटेड 7:31 PM IST
  • ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক করেন এডমুন্ড লালরিন্দিকা
  • অন্য গোলটি করেন বিপিন সিং

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতা ডার্বিতে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে ৪-১ গোলে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল। রবিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে হেলায় সবুজ-মেরুনদের হারায় লাল-হলুদ শিবির। ফলে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর এই ঐতিহ্যবাহী ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল।  

ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক করেন এডমুন্ড লালরিন্দিকা। অন্য গোলটি করেন বিপিন সিং। মোহনবাগানের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন মনবীর সিং।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। ১০ মিনিটের মাথায় মহম্মদ রশিদের পাস থেকে বল পেয়ে গোল করে লাল-হলুদকে এগিয়ে দেন বিপিন। বিশাল কাইথকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।

এর মাত্র দু’মিনিট পরই ফের গোল। মোহনবাগানের রক্ষণকে কার্যত ছিন্নভিন্ন করে এডমুন্ড লালরিন্দিকা ইস্টবেঙ্গলের ব্যবধান বাড়িয়ে দেন। দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক এবং মোহনবাগানের হাই-লাইন রক্ষণকে কাজে লাগিয়েই একের পর এক আক্রমণ তুলে আনছিল ইস্টবেঙ্গল।

এরপর কোচ আন্তোনিও হাবাস তাঁর দলকে শান্ত থেকে খেলার নির্দেশ দেন। সেই পরিকল্পনাতেই ফের সাফল্য আসে। ড্যানি রামিরেজের পাস থেকে বল পেয়ে বক্সের মধ্যে ঠান্ডা মাথায় গোল করেন এডমুন্ড। বিশালকে পরাস্ত করে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।

প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ের পর মোহনবাগান ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। হাইড্রেশন ব্রেকে দলকে একত্রিত করে নির্দেশ দেন কোচ প্যানাইওতিস দিলমপেরিস। খেলা ফের শুরু হওয়ার পরই একটি গোল শোধ করে মোহনবাগান। মনবীর সিংয়ের গোলে ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ২-১।

তবে তাতেও ইস্টবেঙ্গলের দাপট কমেনি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক এক মিনিট আগে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। মহম্মদ রশিদ ও জয় গুপ্তর দুর্দান্ত কম্বিনেশনের পর বক্সে ক্রস আসে। সেখান থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে নিজের তৃতীয় গোলটি করেন ভারতীয় ফরোয়ার্ড।

ডুরান্ড কাপের ইতিহাসে কলকাতা ডার্বিতে এটাই প্রথম হ্যাটট্রিক। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে অবশ্য এটি দ্বিতীয় ডার্বি হ্যাটট্রিক। এর আগে ১৯৯৭ সালের ফেডারেশন কাপ সেমিফাইনালে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন ভাইচুং ভুটিয়া।

Advertisement

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর মরিয়া চেষ্টা চালায় মোহনবাগান। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণে বারবার আটকে যায় সবুজ-মেরুনের আক্রমণ। কোচ আন্তোনিও হাবাসের অন্যতম কার্যকর কৌশল ছিল ডিফেন্সিভ লো ব্লক। সেই কৌশলে মোহনবাগানকে আটকে রেখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে লাল-হলুদ।

শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানে জয় পেয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড কাপের ট্রফি জিতে নিল ইস্টবেঙ্গল। কলকাতার ফুটবলে আরও একবার ইতিহাস তৈরি করল লাল-হলুদ।

Read more!
Advertisement
Advertisement