
ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনার মাঝেই উঠে এল আরও এক কোম্পানির নাম। কিছুদিন আগেই শোনা গিয়েছিল, ইদস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেব্ব্রত সরকার নাকি শ্রী সিমেন্টের অফিসে গিয়ে কর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরে যদিও তা মিথ্যে বলে জানা যায়। এদিকে দলগঠনের কাজ করতে হবে। সময় চলে যাচ্ছে। নিয়োগ করতে হবে কোচকেও। ফলে কম সময়ের মধ্যে অনেক কাজ সারা বাকি। চাপ বাড়ছে।
কারা বিনিয়োগ করতে পারে?
এর মধ্যেই লাল-হলুদের সঙ্গে জুপিটার ওয়াগনসের চুক্তি নিয়ে ময়দানে জোর গুঞ্জন। ইস্টবেঙ্গল প্রেসিডেন্ট মুরারি মনোহর লোহিয়ার এই কোম্পানি বিনিয়োগ করতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও ইমামির সঙ্গে কথাবার্তা কতদূর এগোয় তা দেখেই পরের পদক্ষেপ নিতে চাইছে ক্লাব। পাশাপাশি স্পন্সর না ইনভেস্টর কীভাবে জুপিটার ওয়াগন ইস্টবেঙ্গলে যুক্ত হবে, সে ব্যাপারেও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট সমর্থকদের
কিংফিশার থাকছে। এর সঙ্গে জুপিটার যুক্ত হয়ে গেলে ভাল দল গড়তে কোনও সমস্যা হবে না বলেই আশা ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা পোস্ট করতে শুরু করে দিয়েছেন সমর্থকরা। সোমবার ক্লাব জোটের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যের। সেখানে আইএসএল-এর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তারপরেই গোটা চিত্র পরিস্কার হবে। ইস্টবেঙ্গল শুরুতে এই ক্লাব জোটে না থাকলেও, পরে যোগ দিয়েছে। প্রস্তাব অনুসারে, প্রতি বছর ১৫ কোটি টাকা করে দেবে ক্লাব জোট। আপাতত দুই বছর ক্লাব জোট এই দায়িত্বে থাকবে বলে জানিয়েছে।
একদিকে যেমন দল গঠনের জন্য বিপুল খরচ রয়েছে, তেমনই ক্লাব জোটের পক্ষে আইএসএল আয়োজন করতে হলে, বড় পরিমাণ টাকা দিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকেও। পাশাপাশি যদি অস্কার ব্রুজোকে কোচ হিসেবে নিয়ে আসা হয়, তা হলেও খরচ আরও বাড়বে। এই বিরাট অঙ্কের টাকা জোগাড় করতে হলে, বড় বিনিয়োগ দরকার। আর সেই কারণেই জুপিটার ওয়াগনসের সঙ্গে চুক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
২২ বছর পর, লিগ জেতা ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ নিয়ে এই ডামাডোল ময়দানে তো বটেই, ভারতীয় ফুটবলেও নজিরবিহীন। তবে দ্রুত এই অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে শতাব্দী প্রাচীন ক্লাব। আর সেই কারণেই জুপিটার ওয়াগনসের সঙ্গে চুক্তি হতে পারে ইস্টবেঙ্গলের।