Advertisement

East Bengal: 'রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ...' মিগুয়েলের সাসপেনশন নিয়ে বিস্ফোরক ইসয়টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা

মিগুয়েল ফিগুয়েরার শাস্তি নিয়ে বিস্ফোরক ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। ফেডারেশনের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগলেন দেবব্রত।  সরাসরি ফেডারেশনকে অযোগ্য বলে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না লাল-হলুদ কর্তা। কল্যাণ চৌবের কমিটিকে 'জরিমানা ফেডারেশন' বলে আক্রমণ করতে ছাড়লেন না তিনি।

ফেডারেশনকে আক্রমণ দেবব্রতরফেডারেশনকে আক্রমণ দেবব্রতর
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 Apr 2026,
  • अपडेटेड 7:09 PM IST

মিগুয়েল ফিগুয়েরার শাস্তি নিয়ে বিস্ফোরক ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। ফেডারেশনের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগলেন দেবব্রত।  সরাসরি ফেডারেশনকে অযোগ্য বলে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না লাল-হলুদ কর্তা। কল্যাণ চৌবের কমিটিকে 'জরিমানা ফেডারেশন' বলে আক্রমণ করতে ছাড়লেন না তিনি।

প্রসঙ্গত মিগুয়েলকে দুই ম্যাচ সাসপেন্ড ও ক্লাবকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দেবব্রত সরকার বলেন, ' এখন তো ফেডারেশনের নামটা চেঞ্জ করে জরিমানা ফেডারেশন বললেই হয়। তার কারণ হচ্ছে ফুটবল হয় না। ফেডারেশনের সভাপতিকে ফোন করে পাওয়া যায় না। সেক্রেটারিকে ফোন করে পাওয়া যায় না। তা কি করা যাবে? যখন তাঁরা সমস্যায় পরে তখন বিভিন্ন সময়ে ফোন আসে। তখন তাদের পাশে ফুটবল বাঁচাও বলে থাকতে হয়।'

এই সমস্যা নতুন নয় বলেও জানান দেবব্রত। তিনি বলেন, 'দীর্ঘদিন থেকে যে ফুটবল হচ্ছে। এবং যে কর্মযজ্ঞ আমাদের বিরুদ্ধে হচ্ছে। আমাদের রাস্তায় নেমে ওদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা ছাড়া রাস্তা নেই। এই অপদার্থ কমিটি। এই অপদার্থ কমিটি আর না থাকাই বাঞ্ছনীয়। সংবাদ মাধ্যমে দেখেছি। একটি ম্যাচ গোডালির উপর জল, সেই ম্যাচ ফুটবল খেলা হয়ে গেল। সেখানে যদি ইনজিওর হত দায় কার হত? এরকম বিভিন্ন জায়গায় সব ক্লাবের খেলোয়াড়দের রেড কার্ডের এগেনস্টে অ্যাপিল করলে ছেড়ে দিচ্ছে।' 

অতীতের উদাহরন তুলে ধরে বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছেন ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা। তিনি বলেন, 'আমরা এখন চ্যাম্পিয়নশিপে আছি। এই চ্যাম্পিয়নশিপের থাকার সময়ই যতবার আমরা একটা বেটার জায়গায় যাই, ততবারই আমাদের রেফ্রি...ইতিহাস ঘাটলেই পেয়ে যাবেন আপনারা। এমন এক একটা কর্মযজ্ঞ করে, যে কর্ম আমরা আবার পিছিয়ে যাই।'

বেঙ্গালুরু ম্যাচের ঘটনা তুলে তিনি আরও জানান, 'ব্যাঙ্গালোর ম্যাচ আমাদের জিততে দিলো না এবং আমাদের ভাইটাল প্লেয়ার তাকে সাসপেন্ড করে দিলো। ওই ছেলেটি যে বারবার বর্ণবিদ্বেষী কথাবার্তা বলছিলো, সেইটা না ফোর্থ রেফ্রি শুনলো, না লাইট ম্যান শুনলো, না রেফ্রি শুনলো। উত্তেজিত না হলে ভালো হতো, ঠিক আছে। কিন্তু ঠিক আছে অপরাধ করেছে, চল্লিশ হাজার টাকা ফাইন হয়েছে। তার পরেও যদি ব্যান হয়, আমরা এখন চ্যাম্পিয়নশিপের জায়গায় আছি, ফাইট করছি। এই মুহূর্তে এই ডিসিশনটাই কি দেওয়া খুব প্রয়োজন ছিল? দেশের ফুটবলের হাল এই অবস্থায়।' 
 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement