
হামিদ আহাদাদ ইস্টবেঙ্গল ছেড়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন জাপানি ফুটবলার হিরোশিও। লাল-হলুদ জার্সিতে তাঁর এখনও কোনও গোল নেই। দিমিত্রিয়স দিয়ামানতাকোসকে ছেড়ে তাঁকে কেন দলে নেওয়া হয়েছিল, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। একটি ম্যাচেও জ্বলে উঠতে পারেননি ইস্টবেঙ্গলের জাপানি স্ট্রাইকার হিরোশি ইবুসুকি। তাঁর পরিবর্তে ভালো মানের বিদেশি স্ট্রাইকার নিতে চান কোচ অস্কার।
এদিন প্র্যাকটিসের পর সেই ইঙ্গিত দিলেন ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। তিনি বলেন, ‘বিকল্প বিদেশি স্ট্রাইকারের কথা ভাবা হচ্ছে। কোচও আজ বলছিলেন। এই বিষয়ে লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে আলোচনা হবে। ’ আর আইএসএল শুরুর প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘এসব রাতারাতি তো হয়নি। পিছনে নিশ্চয় কাজ চলছিল। ক্লাবের তরফে বরাবরই বলেছি, লিগ হবে। সেই বিশ্বাস ছিল। শেষ পর্যন্ত আমাদের আশা সফল হয়েছে।’
হামিদ আহদাদ দল ছাড়ার পর ম্যানেজমেন্ট মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছে হিরোশিকে ছাড়ার বিষয়ে। ইতিমধ্যেই নাকি তাঁর সঙ্গে কথাবার্তাও শুরু হয়ে গেছে। শেষ মুহূর্তে তিনি যদি বেঁকে না বসেন, তাহলে দু'পক্ষের চুক্তিভঙ্গ সময়ের অপেক্ষা। এই মরশুমে ইস্টবেঙ্গল ভাল ফুটবল উপহার দিলেও আক্রমণভাগ বারবার ডুবিয়েছে। আইএসএলের আগে ভাল মানের স্ট্রাইকার এনে এই সমস্যা মিটিয়ে ফেলতে উদ্যোগী লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। বৃহস্পতিবার অনুশীলনে যোগ দিলেন ইস্টবেঙ্গলের ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মিগেল ফিগুয়েরা।
ভারতীয় ফুটবলে আশঙ্কার কালো মেঘ যে কেটে গিয়েছে! তাই নতুন উদ্যমে আইএসএল যুদ্ধের মহড়ায় নেমে পড়েছে অস্কার ব্রুজোর প্রশিক্ষণাধীন দল। মিগুয়েল ছাড়া পুরো দলই শিবিরে যোগ দিয়েছে। ব্রাজিলিয়ান মিডিও কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন। তবে দীর্ঘ বিমানযাত্রার ক্লান্তির কারণে বুধবার অনুশীলনে আসেননি।
চলতি মরসুমে দু’টি প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেললেও এখনও পর্যন্ত ট্রফির স্বাদ পায়নি অস্কার-ব্রিগেড। আইএফএ শিল্ডের পাশাপাশি সুপার কাপেও টাইব্রেকারে স্বপ্নভঙ্গ হয় ইস্টবেঙ্গলের। সেই আক্ষেপ তিনি আইএসএলে মেটাতে চান। এদিন অনুশীলনেও স্প্যানিশ কোচের সেই তাগিদ চোখে পড়ল। ওয়ার্ম-আপ এবং ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের সময় ফুটবলারদের দিকে কড়া নজর ছিল তাঁর। ফিজিক্যাল ট্রেনার ও সহকারী কোচের সঙ্গে আলাদা করে কথাও বলেন তিনি। এখনও পুরো ফিট নন আনোয়ার আলি ও নন্দকুমার। তাই তাঁরা সাইড লাইনেই কাটালেন। বাকিদের নিয়ে চলল সিচুয়েশন প্র্যাকটিস।