
আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড (Argentina vs England) বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) একে অপরের মুখোমুখি হলেই মনে আসে নানা ধরণের বিতর্কের ঘটনা। এই ম্যাচ মানেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই আর অন্যদিকে তাড়া করে বিতর্ক। এর আগে বিশ্বকাপে আরও পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। প্রতিবারই দল দুটির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছিল।
তবে জয়-পরাজয়ের হিসাবে আর্জেন্টিনার চেয়ে এগিয়ে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের আসরে পাঁচবারের দেখায় তিনবারই জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। আর দুইবার জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আর্জেন্টিনা। সে হিসাবে বৃহস্পতিবারের সেমিফাইনালের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাচ্ছে ইংল্যান্ড। এমনকি সবশেষ ২৪ বছর আগে বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়ে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড।
এরপর একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ওই ম্যাচে ৩-২ গোলে জয় পেয়েছিল থ্রি লায়ন্সরা। অর্থাৎ সবশেষ দুই দেখাতেই ইংল্যান্ডকে হারাতে পারেনি আর্জেন্টিনা।
ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের মুখোমুখি পরিসংখ্যান
এবারের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে সবচেয়ে মারমার কাটকাট ম্যাচ হতে চলেছে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ম্যাচই এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচ হিসেবে পরিচিতি পাবে। সবচেয়ে বড় কথা ২১ বছর পর মুখোমুখি হতে চলেছে দুটো দেশ। এর আগে ২০০৫ সালে জেনিভায় শেষবারের মতো একটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল আর্জেন্টিনা এবং ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচে অবশ্য ১-২ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও আর্জেন্টিনাকে ৩-২ তে হারিয়ে দিয়েছিল ইংল্যান্ড।
তবে যদি বিশ্বকাপের প্রসঙ্গে কথা বলা যায় সেক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে মোট পাঁচবার দেখা হয়েছে আর্জেন্টিনা এবং ইংল্যান্ডের। সেই আসরে মোট তিন বার জিতেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা জিততে পেরেছে মাত্র দুবার। বলাই বাহুল্য, ১৯৬২ সালের চিলি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছিল ইংল্যান্ড। এরপর ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে আবার ইংল্যান্ডের কাছে হারে আর্জেন্টিনা। সে বছর ব্যবধান ছিল ১-০।
০২ জুন ১৯৬২ ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনা, ৩–১
২৩ জুলাই ১৯৬৬ ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনা, ১–০
২২ জুন ১৯৮৬ আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড, ২–১
৩০ জুন ১৯৯৮ আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড, ২–২ (পেনাল্টি ৪-৩)
০৭ জুন ২০০২ আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড, ০–১
তবে এখন অঙ্কের বিচারে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা এই হিসেব পাল্টে দিতে তৈরি। গতবারের চ্যাম্পিয়ন দল, গত এক দশকে মেসিকে কেন্দ্র করে যেভাবে আর্জেন্টিনা নিজেদের গড়ে তুলেছে তাতে এই ম্যাচ বের করা সহজ হবে না হ্যারি কেন বা জুড বেলিংহ্যামের পক্ষে।