
মেক্সিকোর (Mexico) বিরুদ্ধে নামার আগে রুদ্ধদ্বার অনুশীলন সারছিলো দক্ষিণ কোরিয়া (South Korea)। আর সেই সময়ই ট্রেনিং গ্রাউন্ডের ভেতরে ঢুকে পড়ল একটা ড্রোন (Drone)। গুলি করে সেই ড্রোন নামাল মেক্সিকান সেনাবাহিনী। তবে ঠিক কী কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার অনুশীলনকে টার্গেট করা হল, সেই ব্যাপারেই এখন জল্পনা। এই ঘটনায় ফুটবল মহলে উঠছে বড় প্রশ্ন, তবে কি বিশ্বকাপ বানচালের কোনও গভীর ছক কষা হচ্ছে, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে প্রতিপক্ষের গোপন রণকৌশল হাতানোর চেষ্টা?
কী কারণে এই ড্রোন?
ঠিক কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল সেটা বড় প্রশ্ন। বিবরণ দিতে গিয়ে কোরীয় কোচ বলেন, 'গতকাল আমাদের অনুশীলনের ঠিক আগেই আকাশে একটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। আমরা বিষয়টি জানতে পারি। সৌভাগ্যবশত, আমাদের মূল অনুশীলন তখনও শুরু হয়নি। আমাদের শিবিরের গোপন স্ট্র্যাটেজি জানার জন্যই ওটা পাঠানো হয়েছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনা আমাদের প্রস্তুতিতে তেমন কোনও প্রভাব ফেলেনি ঠিকই, তবে ম্যাচের আগে এমন একটা ঘটনা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক এবং উদ্বেগজনক।'
এর আগেও ঘটেছে এমন ঘটনা
কানাডা প্রশাসনের এই কড়া পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছে ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের কুখ্যাত বিতর্ক। সে'বার নিউজিল্যান্ড দলের রুদ্ধদ্বার অনুশীলনের ওপর ড্রোন উড়িয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করার অভিযোগ উঠেছিল কানাডার মহিলা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে। সেই কেলেঙ্কারির জেরে কানাডা দলের হেড কোচ বেভ প্রিস্টম্যান-সহ দুই কোচিং স্টাফকে বরখাস্ত করা হয়েছিল এবং অলিম্পিকের গ্রুপ পর্বে কানাডার ৬ পয়েন্ট কেটে নেওয়া হয়। সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগেভাগে সতর্ক বিশ্ব ফুটবলের আয়োজকরা।
উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত চলছে
ইতিমধ্যেই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই অনভিপ্রেত ঘটনা তাঁদের মনোসংযোগে চিড় ধরাতে পারেনি বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার হেড কোচ হং মিয়ং-বো।