
সেনেগালকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিজান শুরু করল ফ্রান্স। জোড়া গোল করে রেকর্ড গড়লেন কিলিয়ান এমবাপে। বিশ্বকাপের মঞ্চে ফ্রান্সের সবচেয়ে বেশি গোল করা ফুটবলার তিনি। গতবারের রানার্সদের শুরুটা দারুণ হল। তবে সেনেগালের বিরুদ্ধে ক্লিনশিট রাখতে না পারা কিছুটা চিন্তায় ফেলবে দিদিয়ার দেশঁকে।
প্রথমার্ধে সেনেগালের চমক
ম্যাচের শুরু থেকেই সেনেগাল চাপে রাখে ফ্রান্সকে। ষষ্ঠ মিনিটের ইনজুরি টাইমে ইসমাইলা সার ফাঁকা পোস্টে বল পেয়েও ক্রসবারের উপর দিয়ে মারেন। প্রথমার্ধে ফ্রান্সের আক্রমণভাগ ছিল নিষ্প্রভ। এমবাপে, অলিসে, দেম্বেলে, দুয়ে এই সামনের চার ফুটবলারের মধ্যে সেই তালমিল দেখা যাচ্ছিল না। রায়ান চেরকি প্রথম একাদশে ছিলেন না। যদিও পরে তাঁকে নামান দেশঁ।
দ্বিতীয়ার্ধ: এমবাপে-বারকোলার ঝলক
৬৬ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন এমবাপে (Kylian Mbappé)। মাইকেল অলিসের থ্রু বল ধরে ডান পায়ের দারুণ ফিনিশে এগিয়ে দেন ফ্রান্সকে। এরপর ৮২ মিনিটে বদলি নামা ব্র্যাডলি বারকোলা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। আদ্রিয়ঁ রাবিওর থ্রু থেকে বল পেয়ে সেনেগালের গোলকিপার এদুয়ার মেন্ডিকে চিপ করে গোল করেন পিএসজি ফরোয়ার্ড। ইব্রাহিম এমবায়ে সেনেগালের হয়ে ১ গোল শোধ দেন, আর তার ঠিক পরেই ৯০+৬ মিনিটে এমবাপে ফ্রান্সের ৩ নম্বর গোলটা করেন। ফ্রান্সের তৃতীয় গোলটিও দ্বিতীয়ার্ধেই আসে, ম্যাচ শেষ হয় ৩-১ স্কোরে।
সেনেগালের লড়াই
সেনেগালও সুযোগ তৈরি করেছিল। নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে লেগে ফেরে। সেটা সম্ভবত ছিল সেরা সুযোগ, ২০০২-কে ফিরিয়ে আনার। একবার জ্যাকসন বল জালে পাঠালেও অফসাইডে বাতিল হয়। সার একটা সহজ সুযোগ, প্রায় ফাঁকা গোল পেয়েও বাইরে শট করেন।