
লিভানো কমেনেন্সিয়া (Livano Comenencia) ইতিহাস গড়ে ফেললেন। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ইতিহাস ক্যারেবিয়ান দ্বীপের ছোট্ট দেশ কুরাকাওয়ের (Curacao)। জার্মানির (Germany) বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও সমতা ফেরায় তারা। আর সেই গোলটা আসে লিভানো কমেনেন্সিয়ার পা থেকে। প্রথম শট অন টার্গেটে, আর সেখান থেকে গোল। দেড় লাখ জনসংখ্যার দেশ বিশ্বকাপের মঞ্চে পিছিয়ে থেকেও লড়াইয়ে ফিরছে তাও আবার চারবারের চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে এরকম নজির বিরল বললেও কম বলা হয়।
কে এই লিভানো কমেনেন্সিয়া?
নেদারল্যান্ডে জন্মেছেন। পেশাদার ফুটবল খেলেন এফসি জুরিখ ক্লাবের হয়ে। সেখানে রাইট-ব্যাক হিসেবে খেললেও, আন্তর্জাতিক ফুটবলে কুরাকাও জাতীয় ফুটবল দল-এর প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি ফরোয়ার্ড ও ডিফেন্ডার উভয় ভূমিকাতেই পারদর্শী। ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাস এবং ডাচ ক্লাব পিএসভি এইনহোভেনের হয়ে খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার: নেদারল্যান্ডসের যুব দলে খেলার পর, তিনি কুরাকাও-এর মূল জাতীয় দলে যোগ দেন।
নেদারল্যান্ডসে খেলার সময় তিনি পিএসভি ক্লাবের হয়ে পাঁচটি ট্রফি জিতেছেন।এর মধ্যে রয়েছে কেএনভিবি (KNVB) কাপ এবং সুপার কাপের মতো বড় কাপ।
যেভাবে গোল করলেন কমেনেন্সিয়া?
মাঝমাঠ থেকে তৈরি হওয়া একটি সুযোগে কিউরাসাও চমৎকার আক্রমণ শাণায়। বল পেয়েই ২২ বছর বয়সী মিডফিল্ডার লিভানো কমেনেন্সিয়া অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় জার্মানির ডিফেন্স লাইনে ফাঁকা জায়গা খুঁজে নেন। চারপাশের ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে কমেনেন্সিয়া বক্সের ভেতর থেকে চমৎকার এক শটে বল জার্মানির জালে জড়ান। অভিজ্ঞ জার্মান গোলরক্ষক মানুয়েল নয়ার শটটি ঠেকানোর কোনো সুযোগই পাননি।
রেসলিং তারকা জন সিনার বিখ্যাত 'ইউ কান্ট সি মি' (You can't see me) ভঙ্গিতে হাত নাড়িয়ে আইকনিক উদ্যাপন করেন। এটি ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে ডেডিউট্যান্ট দল কিউরাসাও-এর ইতিহাসের সর্বপ্রথম বিশ্বকাপ গোল।