
শেষ ১১ মিনিটে কঙ্গোকে হারিয়ে দিল ইংল্যান্ড। ম্যাচের শুরুতে কঙ্গো এগিয়ে গিয়েছিল। চাপ বাড়ছিল ইংরেজ কোচ টমাস টুচেলের। প্রথমার্ধে ফল বদলায়নি। উলটে আরও জরালো হয়েছে অঘটনের আশঙ্কা। তবে বড় ফুটবলাররা সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন। আর সেটা পেলেই কাজের কাজ সেরে ফেলেন। যেটা বুধবার করলেন হ্যারি কেন।
যেভাবে প্রথম গোল পেল কঙ্গো?
সপ্তম মিনিটেই আসে ম্যাচের প্রথম বড় ধাক্কা। ডানদিক থেকে আসা একটি ক্রসে ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জেড স্পেন্স বলের বাউন্স ভুলভাবে বিচার করেন। সেই সুযোগে একেবারে ফাঁকা অবস্থায় বল পান সিপেঙ্গা। এক টাচ নিয়েই নিচু শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন তিনি। নিকট পোস্টে গোলটি ঠেকাতে না পারায় প্রশ্ন উঠেছে ইংল্যান্ড গোলরক্ষকের পারফরম্যান্স নিয়েও।
গোলের পর কিছুটা এলোমেলো হয়ে পড়ে ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ। মাঝমাঠ ও ডিফেন্সের মাঝখানে বারবার ফাঁকা জায়গা খুঁজে পেতে থাকে ডিআর কঙ্গো। হতাশায় সতীর্থদের ওপর ক্ষোভও ঝাড়তে দেখা যায় জুড বেলিংহ্যামকে।
১৪ মিনিটে ইংল্যান্ড প্রথম কর্নার পেলেও ডেকলান রাইসের ডেলিভারি চলে যায় সবার মাথার ওপর দিয়ে। ১৬ মিনিটে ও'রাইলির ক্রস থেকে বেলিংহ্যাম হেড করার আগেই শক্তিশালী মুষ্টিঘাতে বল সরিয়ে দেন এমপাসি।১৯ মিনিটে মবুকুকে কঠোর ট্যাকলে ফেলে হলুদ কার্ড দেখেন বেলিংহ্যাম। দুই মিনিট পর ওয়ান-বিসাকা ও মবুকুর ওপর র্যাশফোর্ডের ধারাবাহিক ফাউলও ইংল্যান্ডের হতাশারই প্রতিফলন ছিল।
২৩ মিনিটে ড্রিংকস ব্রেকের পর যেন বদলে যায় ইংল্যান্ড। টুখেলের নির্দেশনায় আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে দলটি। দুই মিনিট পর মাদুয়েকে বক্সে পড়ে পেনাল্টির আবেদন করলেও রেফারি তাতে সাড়া দেননি।৩০ মিনিটে রাইসের দারুণ ক্রস থেকে বেলিংহ্যামের হেড অসাধারণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন এমপাসি। এরপর ৩৬ মিনিটে র্যাশফোর্ডের ক্রস থেকে হ্যারি কেইনের শট শেষ মুহূর্তে ব্লক করেন অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে। একই আক্রমণে ছয় গজ দূর থেকে র্যাশফোর্ডের নেয়া শট গোললাইন থেকেই ঠেকিয়ে দেন অ্যারন ওয়ান-বিসাকা।
৪২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে ডিআর কঙ্গো। ওয়ান-বিসাকার নিচু ক্রস থেকে ছয় গজ দূরে সম্পূর্ণ ফাঁকা অবস্থায় শট নিয়ে বল পোস্টে মারেন ইয়োয়ান উইসা।