
হ্যাটট্রিক পেয়েছেন লিওনেল মেসি। দুই ম্যাচে ৪ গোল করে ফেলেছেন কিলিয়ান এমবাপেও। আর দ্বিতীয় ম্যাচে খাতা খুললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই গোল পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল পর্তুগাল। প্রথম ম্যাচ ড্র হওয়ার পরে, চাপ বাড়ছিল পর্তুগাল শিবিরের উপর। চাপ পুরোটাই যেন শুষে নিলেন সিআর সেভেন। নিজে গোল করলেন, ক্যাপ্টেনের মতো নুনো মেন্দেসকে সুযোগ করে দেন গোল করার।
জোড়া গোল রোনাল্ডোর
ব্রুনো ফার্নান্দেজ বল নিয়ে উজবেকিস্তানের ফাইনাল থার্ডে ঢুকে প৳ড়েন। ডানদিকে রোনাল্ডোর উদ্দেশ্যে একটি থ্রু বল বাড়িয়ে দেন। অফসাইড এড়িয়ে নেমাতোভকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন সিআর সেভেন। পর্তুগালকে ৩-০ গোলে এগিয়ে দেন।
নুনো মেন্দেসের গোল
পর্তুগালের দ্বিতীয় গোল তাদের দলীয় সংহতির পরিচয়। পেদ্রো নেতোকে পেনাল্টি বক্সের ঠিক সামনে ফেলে দেওয়ায় ফ্রি-কিক পায় পর্তুগাল। সকলেই ভেবেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ফ্রিকিক থেকে সরাসরি গোল তুলে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। তবে ফাঁদটা সেখানেই কাজে দেয়। ক্যাপ্টেন নন, বরং নুনো মেন্দেসই বাঁ পায়ের জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন। অনেকেই বলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো স্বার্থপর ফুটবলার। গত ম্যাচেই এ ব্যাপারে মত জানিয়েছিলেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তবে রোনাল্ডো তাঁদের ভুল প্রমাণ করলেন। বিশেষ করে এটা যখন সম্ভবত তাঁর শেষ বিশ্বকাপ।
এটা দেশের জার্সিতে নুনোর দ্বিতীয় গোল। তার উপর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে। সুতরাং উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে নুনো মেন্দেজের এই গোল সবদিক থেকেই স্পেশাল। তাঁর শট দ্বিতীয় পোস্টের দিকে গড়ানো অথচ তীব্র ছিল। যা সরাসরি জালে জড়ায়। গোলকিপারের নাগালের বেশ বাইরে।
গোল করে ফেললেন রোনাল্ডো
ম্যাচের শুরুতেই সুযোগ পেয়েছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। শেষ মুহূর্তে এক উজবেক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে তাঁর শট বাইরে যায়। তবে গোল করতে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। গোল এনে দিলেন রোনাল্ডোই। এই ম্যাচে তিনি শুরু থেকে খেলবেন কিনা তা নিয়েই নানা জল্পনা চলছিল। তবে তিনি শুধু খেললেন না দিলেন গোল। পর্তুগালের হয়ে এবারের বিশ্বকাপে প্রথম গোল। মাত্র ৬ মিনিটে ডান দিক থেকে পেদ্রো নেতো ক্রস করেন এবং ক্রিশ্চিয়ানো প্রথম টাচেই শট করেন। বল জালে জড়িয়ে যায়।
প্রথম ম্যাচ ড্র করার পর চাপ বাড়ছিল পর্তুগালের। এই ম্যাচ জিততেই হত। আর তাই শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে সিআর সেভেনরা। প্রথম গোল এল কিংবদন্তির পা থেকেই।