
বিশ্বকাপ ফুটবল (FIFA World Cup 2026) শুরু হতে মাত্র ৬ দিন বাকি। এর মধ্যেই জোড়া অঘটন। প্রস্তুতি ম্যাচে হেরে গেল গতবারের রানার্স ফ্রান্স (Franse)। ড্র করল স্পেন (Spain)। এই দুই ফলাফলই কিছুটা চিন্তায় রাখবে দুই দলের সমর্থকদের। স্পেন দলে এদিন লামিনে ইয়ামালের মতো তারকা ছিলেন না। তবুও তাঁরা ইরাকের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করেছে। আর অন্যদিকে ফ্রান্স ১-২ গোলে হেরেছে আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে।
হেরে গেল ফ্রান্স
এদিনের ম্যাচে দিদিয়ার দেশ বিশ্রাম দিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে খেলা ফুটবলারদের। রায়ান চেরকির দুর্দান্ত গোলে প্রথমার্ধে লিড নিয়েছিল ফ্রান্স। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে খেই হারিয়ে ফেলে তারা। গুয়েলা দুয়ে এবং আমাদ দিয়ালোর চমত্কার নৈপুণ্যে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় আইভরি কোস্ট।
আগামী ১৬ জুন নিউইয়র্কে সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফ্রান্স তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। তার আগে এই হারকে প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই দেখছেন ফরাসি মিডফিল্ডার অহেলিয়াঁ চুয়ামেনি। তিনি জানান, ম্যাচটিতে হার অবশ্যই হতাশার, তবে এটি যেহেতু প্রস্তুতির একটি পর্যায়, তাই দলের আত্মবিশ্বাসে কোনো ঘাটতি নেই। এই ম্যাচ থেকে এখনই চূড়ান্ত কোনো উপসংহারে পৌঁছানোর সুযোগ নেই এবং মূল টুর্নামেন্টে দল পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবে বলেই তিনি বিশ্বাস করেন।
আটকে গেল স্পেন
ফেররান টোরেস ঘরের মাঠে দলকে এগিয়ে দিলেও ইরাক সমতা ফেরায় প্রথমার্ধেই। বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া ইরাকের হয়ে সমতা ফেরান মের্কাস দস্কি।
ম্যাচের শুরু থেকে একচেটিয়া চাপ ধরে রাখা স্পেন। আর তার ফলে আট মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো ২০১০ সালের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা। তবে আলেক্স বায়েনার শট দারুণ ক্ষীপ্রতায় ঠেকিয়ে দেন আহমেদ বাসিল। আট মিনিট পর তিনি আর পারেননি, মাঝমাঠ থেকে বল পায়ে ছুটে ডি-বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে দলকে এগিয়ে নেন ফেররান টোরেস।
প্রথম ২৫ মিনিটে ২৫ শতাংশেরও কম সময় পজেশন রাখা ইরাকও খুব বেশি সময় নেয়নি সমতা ফেরাতে। ২৭তম মিনিটে চমৎকার গোল করে তারা। ডি-বক্সের বাঁ পাশ থেকে আচমকা জোরাল শট নেন জার্মানিতে জন্ম নেওয়া লেফট-ব্যাক মের্কাস দস্কি, গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া লাফিয়েও নাগাল পাননি, দূরের পোস্ট দিয়ে বল ঠিকানা খুঁজে পায়।