Advertisement

FIFA World Cup 2026: FIFA বিশ্বকাপের বলে হাওয়া নয়, দিতে হবে ইলেকট্রিক চার্জ, আরও কী কী ফিচার?

প্রতি বিশ্বকাপেই সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ থাকে বল নিয়ে। বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা নিরিক্ষাও চলে বল নিয়ে। ২০২৬-এর বিশ্বকাপেও একেবারে নতুন প্রযুক্তির বল ব্যবহার হতে চলেছে। সাধারণভাবে আমাদের আশেপাশে এমনকি ভারতীয় ফুটবল বা বিদেশে নানা টুর্নামেন্টে যে বল ব্যবহার করা হয়, তাতে হাওয়া ভরতে হয়। তবে এবারের বিশ্বকাপের বলকে চার্জ দিতে হবে।

ট্রিওন্ডা বল ও বিশ্বকাপট্রিওন্ডা বল ও বিশ্বকাপ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 28 May 2026,
  • अपडेटेड 11:08 AM IST

প্রতি বিশ্বকাপেই সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ থাকে বল নিয়ে। বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা নিরিক্ষাও চলে বল নিয়ে। ২০২৬-এর বিশ্বকাপেও একেবারে নতুন প্রযুক্তির বল ব্যবহার হতে চলেছে। সাধারণভাবে আমাদের আশেপাশে এমনকি ভারতীয় ফুটবল বা বিদেশে নানা টুর্নামেন্টে যে বল ব্যবহার করা হয়, তাতে হাওয়া ভরতে হয়। তবে এবারের বিশ্বকাপের বলকে চার্জ দিতে হবে।

বলটি দেখতে কেমন?
বলটির নকশায় লাল, সবুজ এবং নীল রঙের একটি আকর্ষণীয় সমন্বয় রয়েছে, যা তিনটি আয়োজক দেশকে শ্রদ্ধা জানায়। এতে প্রতিটি দেশের প্রতীক হিসেবে বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে—কানাডার জন্য ম্যাপল পাতার প্রতীক, মেক্সিকোর জন্য ঈগল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তারা। বলটিতে একটি হালকা ১৪ গ্রাম ওজনের মোশন সেন্সর চিপ একটি প্যানেলের ভেতরে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই উচ্চ-নির্ভুল ৫০০ হার্জ সেন্সরটি রিয়েল টাইমে বলের প্রতিটি স্পর্শ, গতি, ঘূর্ণন এবং গতিপথ ট্র্যাক করতে সক্ষম।


  
এই বলের নাম কী?
'ট্রিওন্ডা' নামটি এসেছে তিনটি ঢেউ থেকে। 'ট্রিওল্ডা' বলের নকশাতেও তিন আয়োজক দেশকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ডিজাইনে।

মোশন সেন্সর চিপ
এটি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। ফলে বলের স্পর্শ, গতি, ঘূর্ণন, দিক পরিবর্তন ও চলাচল রিয়েল টাইমে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। স্টেডিয়ামের ক্যামেরা সিস্টেমের সঙ্গে মিলিয়ে এটি উন্নত ৩ডি ট্র্যাকিং করবে। ভিএআর-এর মাধ্যমে রেফারিরা অফসাইড, হ্যান্ডবল, গোললাইন পরিস্থিতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দ্রুত ও আরও নির্ভুলভাবে নিতে পারবেন। সেন্সর পুরো ম্যাচজুড়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ করবে। তাই এটি একটি ছোট রিচার্জেবল ব্যাটারি দ্বারা চালিত। ম্যাচ শুরুর আগে বিশেষ চার্জিং যন্ত্রের মাধ্যমে বলটি সম্পূর্ণ চার্জ করতে হবে।

রিচার্জেবল ব্যাটারি
কানেক্টেড বল টেকনোলজি আরও দ্রুত ও নিখুঁত সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। সেন্সরটি চালিত হবে রিচার্জেবল ব্যাটারিতে। একবার পুরোপুরি চার্জ করা হলে বলটি প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত চলতে পারে, যা সাধারণ ম্যাচ, অতিরিক্ত সময় এবং পেনাল্টি শুটআউট পর্যন্ত যথেষ্ট। তাই খেলার সময় ব্যাটারি শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। স্বাভাবিকভাবেই এটি এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে দামি অফিসিয়াল বল। 

Advertisement

দাম কত?
দ্য সান-এর তথ্য অনুযায়ী, এর দাম ১৭৫ মার্কিন ডলার, যা ভারতে প্রায় ১৬,৫০০ টাকার সমান। এই বল সংগ্রহে রাখতে চাইলে ভাল পরিমাণ টাকা খরচ করতে হবে ফুটবলপ্রেমীদের। 
 

Read more!
Advertisement
Advertisement