Advertisement

Handshake Controversy: বিশ্বকাপে হ্যান্ডশেক বিতর্ক, এমবাপে হাত না মেলানোয় ক্ষুব্ধ গোলকিপার গিল

প্যারাগুয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। তবে খেলা নয় কার্যত রেসলিং রিংয়ে পরিনত হয়ে গিয়েছিল ফিলাডেলফিয়ার মাঠ। মারামারি গন্ডোগোল, হাতাহাতি, কটাক্ষ বিপক্ষের দিকে যা যা নিক্ষেপ করা যায় তার সবটাই হয়েছে দু দলের তরফ থেকেই। যার ফলে উৎকর্ষতার দিক থেকে না হলেও, উত্তেজনার দিক থেকে বেশ উপভোগ্য ছিল ম্যাচ। তবে আলোচনার কেন্দ্রে নো হ্যান্ডশেক।

কিলিয়ান এমবাপেকিলিয়ান এমবাপে
Aajtak Bangla
  • ফিলাডেলফিয়া,
  • 05 Jul 2026,
  • अपडेटेड 3:05 PM IST

প্যারাগুয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। তবে খেলা নয় কার্যত রেসলিং রিংয়ে পরিনত হয়ে গিয়েছিল ফিলাডেলফিয়ার মাঠ। মারামারি গন্ডোগোল, হাতাহাতি, কটাক্ষ বিপক্ষের দিকে যা যা নিক্ষেপ করা যায় তার সবটাই হয়েছে দু দলের তরফ থেকেই। যার ফলে উৎকর্ষতার দিক থেকে না হলেও, উত্তেজনার দিক থেকে বেশ উপভোগ্য ছিল ম্যাচ। তবে আলোচনার কেন্দ্রে নো হ্যান্ডশেক।

ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচের রোগ কি সংক্রমিত হল ফুটবল বিশ্বেও? না তেমন কোনও শঙ্কা ফ্রান্স-প্যারাগুয়ের মধ্যে নেই। নোংরা ফুটবল খেলার কারণেই ম্যাচ শেষে সৌজন্য বিনিময়ের ব্যাপারটা ঘটেনি। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই, প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব দেখিয়ে কিলিয়ান এমবাপের সাথে হাত মেলাতে চেষ্টা করেন, কিন্তু ফরাসি তারকা কোনো সাড়া না দিয়েই চলে যান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গিল বলটি তুলে নিয়ে এমবাপের পিঠে আঘাত করেন। পুরো ঘটনাটি দেখা যায় লাইভ। 

ম্যাচ শেষে কিলিয়ান এমবাপে প্যারাগুয়ের কৌশল নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, 'ম্যাচটা কেমন হতে চলেছে তা আমরা আগেই জানতাম। প্রয়োজনে কীভাবে কঠিন ফুটবল খেলতে হয়, সেটাও আমরা জানি। ওরা হয়তো ভেবেছিল আমরা টাক্সেডো পরে মাঠে নামব, কিন্তু আমরা যেকোনো চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত ছিলাম।' 

এমবাপে পুরো ম্যাচ জুড়ে প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়দের স্প্যানিশ ভাষায় জবাব দিচ্ছিলেন এবং একইভাবে তাদের মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরির প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করছিলেন। প্রায় ৭০ মিনিটের দিকে, দিয়েগো গোমেজের একটি ফাউল ভিএ আর পর্যালোচনা করে ফ্রান্সকে পেনাল্টি দেয়। চাপের মুখে এমবাপে দুর্দান্তভাবে পেনাল্টি থেকে গোল করে ফ্রান্সকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত এই গোলটিই নির্ণায়ক হয়। যদিও প্যারাগুয়ে সমতা
ফেরানোর জন্য বারবার আক্রমণ চালায়, ফরাসি রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক তাদের সফল হতে দেননি।

প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল মনে করেন, ফ্রান্সকে পেনাল্টি দেওয়া না হলে ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়াতে পারত। তিনি বলেন, 'ওই পেনাল্টিটি না দেওয়া হলে আমরা ম্যাচটা অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যেতাম।' ১০ই জুলাই কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স মরক্কোর মুখোমুখি হবে। 
 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement