Advertisement

World Cup 2026: লস অ্যাঞ্জেলেসের ড্রেসিংরুমে রেখে গেলেন চিরকুট, কী আবেদন করলেন ইরানের ফুটবলাররা?

বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ড্র তাদের রাউন্ড অফ ৩২-র আশা এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে ইরান (Iran)। তবে সেই পারফরম্যান্সের বাইরে গিয়েও বিশ্বকাপের আলোচনায় যুদ্ধবিদ্ধস্ত এই দেশ। ড্রেসিংরুমে তাদের রেখে যাওয়া একটি চিরকুটই এখন আলোচনায়। ম্যাচ শেষে সোফি স্টেডিয়ামের লকার রুমে আয়োজক শহর লস অ্যাঞ্জেলেসের আতিথেয়তার প্রশংসা করে একটি আবেগঘন ধন্যবাদ বার্তা রেখে গেছে ইরানি দল।

ইরানের সেই চিরকুটইরানের সেই চিরকুট
Aajtak Bangla
  • লস অ্যাঞ্জেলস,
  • 22 Jun 2026,
  • अपडेटेड 11:54 AM IST
  • এখনও সুযোগ আছে ইরানের সাম্নের
  • বেলজিয়ামকে রুখে স্বপ্ন বাঁচালো এশিয়ার দল

বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ড্র তাদের রাউন্ড অফ ৩২-র আশা এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে ইরান (Iran)। তবে সেই পারফরম্যান্সের বাইরে গিয়েও বিশ্বকাপের আলোচনায় যুদ্ধবিদ্ধস্ত এই দেশ। ড্রেসিংরুমে তাদের রেখে যাওয়া একটি চিরকুটই এখন আলোচনায়। ম্যাচ শেষে সোফি স্টেডিয়ামের লকার রুমে আয়োজক শহর লস অ্যাঞ্জেলেসের আতিথেয়তার প্রশংসা করে একটি আবেগঘন ধন্যবাদ বার্তা রেখে গেছে ইরানি দল।

কী লেখা আছে চিঠিতে?
ইরান ফুটবপল ফেডারেশন সেই চিঠি প্রকাশ করেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রাচীন ঐতিহ্য আর নিজেদের আত্মমর্যাদার কথা ফুটিয়ে তুলে চিরকুটে ইরান দল লিখেছে: ‘হাজার বছরের প্রাচীন পারস্য থেকে আজকের সভ্য ইরান—ইরানের চেতনা সব সময় জীবন্ত ও অবিচল।’

‘লস অ্যাঞ্জেলেস, আপনাদের আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ। আমরা গর্বের সঙ্গে লস অ্যাঞ্জেলেসে এসেছিলাম, সম্মানের সঙ্গে লড়াই করেছি এবং মাথা উঁচু করে মর্যাদা নিয়ে ফিরে যাচ্ছি।’

এই নোটে শুধু আয়োজকদেরই নয়, গ্যালারিতে ৯০ মিনিট টানা চিৎকার করা ইরানি সমর্থকদেরও মন থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। ম্যাচজুড়ে যারা নিজেদের ‘হৃদয়, কণ্ঠ ও আত্মা’ উজাড় করে দলকে সমর্থন দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ফুটবলাররা। চিরকুটের একদম শেষ অংশে বিশ্বজুড়ে সব জাতির মধ্যে শান্তি, শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্বের এক দারুণ আহ্বান জানানো হয়।

ইরানের বিশ্বকাপ অভিযান নিয়ে জটিলতা
ইরান দল এবার আমেরিকায় খেলতে এসে ভিসা ও নিরাপত্তা জটিলতায় পড়েছিল। কড়া নজরদারির কারণে তারা বেস ক্যাম্প করেছে মেক্সিকোতে। ম্যাচের দিনগুলোতেই কেবল স্বল্প সময়ের জন্য আমেরিকায় ঢুকতে পারছে, যা খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত করে তুলছে। এর আগে ইনফান্তিনো বলেছিলেন, 'তাদের নিরাপদে টুর্নামেন্টে নিয়ে আসার জন্য যদি তেহরান থেকে আমাকে নিজে বাস চালিয়ে আসতে হতো, আমি তা-ই করতাম।' ড্রেসিংরুমের এই সান্ত্বনা সেই প্রতিশ্রুতিরই ধারাবাহিকতা।   

ইরানি কোচ ও খেলোয়াড়রা ইনফান্তিনোর বক্তব্যকে ‘মনোবল বাড়ানোর টনিক’ বলেছেন। সমর্থকদের একাংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, 'ড্রেসিংরুমের দেয়ালে এই কথাগুলো লিখে রাখা উচিত।' কারণ দলটির পরের ম্যাচগুলোতেও একই রকম বৈরিতা থাকতে পারে।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement