
আইএসএল এবার গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় চলে এসেছে। সমস্ত দলই বেশিরভাগ ম্যাচ খেলে ফেলেছে। ফলে এই জায়গা থেকে কোনও ম্যাচ হারলে বা ড্র করলেই চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই থেকে ছিটকে যেতে হবে। পাঁচ নম্বরে থাকলেও, ইস্টবেঙ্গলের সামনে এখনও সুযোগ আছে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। তবে তাদের প্রথমে চেন্নাইয়েন ম্যাচটা জিততে হবে। আর তাতেই মুম্বই সিটি এফসি-র সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কিছুটা কমবে।
রাশিদকে কি পাওয়া যাবে?
চেন্নাইয়ন এফসির বিরুদ্ধে আইএসএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছেন না ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজো। ইতিমধ্যেই প্রতিপক্ষকে হারানোর ব্লু প্রিন্ট সাজানোর সাজাে কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে ম্যাচের আগে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে দলের চোট সমস্যা। বিশেষ করে মিডফিল্ডার রাশিদকে ঘিরে অনিশ্চয়তা। মিডফিল্ডার কিন্তু দলের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে মরিয়া।
অনুশীলনের সময় চোট পাওয়ার পর প্রথমে মনে করা হয়েছিল প্রায় তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে রাশিদকে। তবে এমআরআই রিপোর্টে স্বস্তি ফিরেছে লাল-হলুদ শিবিরে। তবুও এখনই ঝুঁকি নিতে নারাজ অস্কার ব্রুজো। এদিনের অনুশীলনে ফিজিক্যাল ট্রেনিং করলেও মূল দলের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে যোগ দেননি তিনি। সাইডলাইনে রিহ্যাবের পাশাপাশি আলাদা করে দৌড়াতে দেখা যায় তাঁকে।
সিবিলের ডিফেন্সে ফেরা নিশ্চিত
ক্লাব সূত্রে খবর, চেন্নাইয়ন ম্যাচে রাশিদ নিজে খেলতে মরিয়া। তবে শেষ মুহূর্তে তিনি ফিট না হলে তার জায়গায় জিকসন সিংকে দেখা যেতে পারে প্রথম একাদশে। সেই পরিস্থিতিতে ডিফেন্স লাইনে আনোয়ার আলির সঙ্গে জুটি বাঁধতে পারেন চোট সারিয়ে ফেরা কেভিন সিবিল্লে। দুই সাইড ব্যাকে থাকবেন রাকিপ ও লালচুংনুঙ্গা। অন্যদিকে রাশিদ খেললে ডিফেন্সে পরিবর্তন আসতে পারে। সেক্ষেত্রে বসতে পারেন নুঙ্গা। তখন আনোয়ার, জিকসন, রাকিপ ও কেভিনকে দেখা যেতে পারে রক্ষণে। মাঝমাঠে অস্কার তিন বিদেশি খেলালে বেঞ্চে বসতে পারেন ফরওয়ার্ড ইউসেফ এজেজ্জারি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরের দুটি অনুশীলনের পরে নেওয়া হতে পারে। বাম প্রান্তে বিপিন সিং প্রায় নিশ্চিত। তবে ডানদিকে এডমুন্ড না মহেশ, কে শুরু করেন সেটাই দেখার বিষয়।