
১০ জনেও দুউরন্ত লড়াই। জয় না এলেও, হারতে হল না ইস্টবেঙ্গলকে। অ্যান্টনি সয়বার্গ মান বাঁচালেন অস্কার ব্রুজোর। তবে সমর্থকদের মনে থাকবে এই লড়াই। দলে ছিলেন না রাশিদ ও রাকিপ। প্রথমার্ধেই লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে মিগুয়েল ফিগুয়েরা। ততক্ষণে একবার পিছিয়ে পড়ে ফিরে এসেছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। দ্বিতীয়ার্ধে ফের পিছিয়ে পড়ে ফেরত আসল ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ফল ৩-৩।
১২ মিনিটে আশিক ক্রুনিয়ান প্রথমবার ইস্টবেঙ্গলের জালে বল ঢুকিয়ে দেন। দূর থেকে নেওয়া গোলার মতো শট জালে আশ্রয় নেয়। ২১ মিনিটে দুরন্ত ব্যাক ভলিতে গোল করেন আনোয়ার আলি। সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল। এর তিন মিনিট পরে লাল কার্ড দেখেন মিগুয়েল। মাথা গরম করে ফেলার শাস্তি পেতে হল তাঁকে। প্রতিবাদের ভঙ্গি একজন পেশাদার ফুটবলারের হলে তা চাপ বাড়াবে।
তিনি মাঠে থাকলে ম্যাচটা জিতেও যেতে পারত লাল-হলুদ। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই সুরেশের গোলে ফের এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু। ডিফেন্সের ভুল অস্বীকার করা যায় না। প্রভসুকান গিলের ভুলও অনেকটাই। রায়ান উইলিয়ামসের ক্রস যখন ড্রপ খেয়ে তাঁর কাছে আসছে, তখন তা বুকে লেগে ছিটকে যায়। সেই বলেই শট করে গোল করেন সুরেশ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোল তুলে নেয় ইস্টবেঙ্গল। বল একক দক্ষতায় জালে জড়ান সল ক্রেসপো। প্রথম শট প্রতিহত হলেও, ফিরতি বলএ জোরাল শট করেন ইস্টবেঙ্গল ক্যাপ্টেন। সোজা গোলে ঢুকে যায়।
তবে উত্তেজনা তখনও বাকি ছিল। কারণ, ম্যাচে হয়েছে আরও দুটো গোল। রায়ান উইলিয়ামসের দুরন্ত গোল যখন প্রায় ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছে বেঙ্গালুরু দিকে, তখনই জ্বলে ওঠেন সয়বার্গ। অনেক সমালোচনা শ্য করতে হয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে কাজের কাজটা হল তাঁর পা দিয়েই। একেবারে ইনজুরিটাইমের শেষ মুহূর্তে। রায়ান উইলিয়ামসের প্রায় ০ ডিগ্রি থেকে করা গোলের পর, ঝিমিয়ে পড়া হতাশ ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা সয়বার্গের গোলে এখনও আইএসএল-এর লড়াইয়ে টিকে ইস্টবেঙ্গল।