
আজ জিতলেই দুই নম্বরে উঠে আসবে ইস্টবেঙ্গল। সামনে চেন্নাইয়েন এফসি। একেবারেই ছন্দে নেই তারা। প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচে দলে বদল আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ কেভিন সিবিলে এই ম্যাচে ফেরত আসতে পারেন বলে সূত্রের খবর। অন্যদিকে মহম্মদ রশিদ এই ম্যাচে নামতে মুখিয়ে থাকলেও, তিনি এখনও অনিশ্চিত। সেক্ষেত্রে জায়গা বদল হবে জিকসন সিং-এর।
ইস্টবেঙ্গল মহমেডান স্পোর্টিংকে সাত গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে দুর্বল চেন্নাইয়েনকে হারালে চির প্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়েন্টকে পেছনে ফেলে সোজা দুই নম্বরে উঠে আসবে লাল-হলুদ। অস্কার ব্রুজোর দল শেষ অবধি চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে থাকলে মোহনবাগানের সঙ্গে ম্যাচ নির্ণায়ক হবে। ফলে সামনে কঠিন লড়াই। সে কারণেই চোট পাওয়া রশিদকে নিয়ে খুব বেশি ঝুঁকি নিতে চাইবে না ইস্টবেঙ্গল।
শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রচণ্ড গরম আর বিমানযাত্রার ক্লান্তিকে সঙ্গী করেই চেন্নাইতে পা রাখলেন মিগুয়েল, রাশিদরা। অস্কারের চোখেমুখে আত্মবিশ্বাসের কমতি নেই। এদিন সকালে কলকাতায় শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি সেরে চেন্নাইয়ের বিমান ধরে লাল-হলুদ ব্রিগেড। ঘড়ির কাঁটা মেপে এক ঘন্টার অনুশীলন। তাতেই শেষ মুহুর্তের রণনীতি ঝালিয়ে নিলেন ইস্টবেঙ্গল হেড কোচ। প্রাক-ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে অস্কার বলেন, 'এই মরশুমে ইস্টবেঙ্গল দলের মানসিকতায় বড় পরিবর্তন এসেছে। আমরা জয়ের জন্য মাঠে নামি, হার এড়ানোর জন্য নয়। চেন্নাই ভাল দল। আমাদের লড়াই করে তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নিতে হবে।'
পূর্ণশক্তির দল নিয়েই চেন্নাইতে পা রেখেছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। তবে চেন্নাইয়ন এফসির বিরুদ্ধে শুরু থেকে রাশিদকে দেখা যাবে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। রাশিদ খেললে আনোয়ারকে দেখা যেতে পারে লেফট ব্যাক পজিশনে। দুই স্টার জিকসন এবং সিবিক্সে, রাইট ব্যাকে রাকিপ। মাঝমাঠে রাশিদ, সউল এবং মিগুয়েল খেললে লেফট উইংয়ে খেলতে পারেন বিপিন এবং রাইট উইংয়ে মহেশ। সেক্ষেত্রে ইউসেফের বদলে আক্রমণে থাকতে পারেন এডমুন্ড। তবে প্রথম একাদশে রাশিদ না থাকলে, ডিফেন্দে দুই স্টার হতে পারেন আনোয়ার এবং কেভিন, রাইট ব্যাকে রাকিপ, লেফট ব্যাকে নুঙ্গা অথবা জয় গুপ্তা শুরু করতে পারেন। মাঝমাঠে রাশিদের জায়গায় খেলতে পারেন জিকসন। সেক্ষেত্রে দুই উইং অপরিবর্তিত রেখে আক্রমণকে নেতৃত্ব দেবেন ইউসেফ। তবে দ্বিতীয়ার্ধে প্রয়োজনে মাঠে নামতে পরেন রাশিদ।