
চেন্নাইয়েন এফসি-র বিরুদ্ধে জয় পেয়ে অনেকটাই চনমনে ইস্টবেঙ্গল শিবির। তবে আশঙ্কার কারণ, তারকা ফুটবলার নাওরেম মহেশ সিং-এর চোট। দীর্ঘ বিরতির পর, চেন্নাইয়েন ম্যাচ খেলতে নেমেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। এই সময়ের মধ্যে অনেক তারকাই চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেছেন, কেভিন সিবিলে তাদের মধ্যে অন্যতম। তবে মহেশের সামনে খুব বেশি সময় নেই। সেটাই চিন্তার।
চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন মহেশ
এদিন ম্যাচে মহেশ সিং পরিবর্ত হিসেবে নেমেছিলেন। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই হাঁটুতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। রাতে পাওয়া খবর অনুযায়ী, মহেশের চোট নিয়ে বেশ উদ্বেগে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল শিবির। চোট সেরকম গুরুতর হলে অস্ত্রোপচার করতে হতে পারে মহেশের। সেটা হলে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা লাগতে পারে। তবে মেডিক্যাল টেস্টের পরই বোঝা যাবে মহেশের চোট কতটা গুরুতর। সেক্ষেত্রে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে বলে সূত্রের খবর।
আনোয়ার আলিকে কেন তুলে নিলেন অস্কার?
দল জয় পেলেও, ফুটবলারদের খেলা নিয়ে কিছুটা হলেও চিন্তায় থাকবে লাল-হলুদ ক্লাব। ১ গোলে এগিয়ে গিয়ে ব্যবধান বাড়ানোর চিন্তা না করে কেন ডিফেন্সিভ খোলসে ঢুকে গেলেন কোচ অস্কার? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। ম্যাচ চলাকালীন আনোয়ার আলিকে কেন অস্কার তুলে নিলেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর, আনোয়ারের বদল নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন ইস্টবেঙ্গল কোচ।
ইস্টবেঙ্গল যদি শনিবার পয়েন্ট নষ্ট করত, তাহলে বিরতির পর একটি পরিবর্তন নিয়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হত। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আনোয়ার আলিকে অস্কার যখন তুলে নিলেন, তখন অবাক হননি এমন ইস্টবেঙ্গল সমর্থক প্রায় নেই বললেই চলে। কারণ আনোয়ার শুধু যে দলের সেরা ডিফেন্ডার তা নয়। তিনি রক্ষণ থেকে উঠে এসে একের পর এক গোলের ঠিকানা লেখা বলও বাড়াতে পারেন।
যদিও ম্যাচ শেষে ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজো বলে গেলেন, 'আনোয়ারের হালকা চোট রয়েছে। পরের ম্যাচগুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঝুঁকি না নেওয়ার জন্যই পরিবর্তন করা হয়েছে। দলের বাকি ডিফেন্ডারদের ওপর আমার ভরসা ছিল।' জানা গেছে আনোয়ার নিজেই তুলে নেওয়ার অনুরোধ করেন।