
মাত্র কয়েকদিন আগেই যুবভারতীতে আপাত নিরীহ ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে ড্র করার পর টিম বাস ঘিরে উঠেছিল 'গো ব্যাক' স্লোগান। মোহনবাগান অনুশীলনের পরিবেশ বর্ননায় ব্যাবহার হয়েছিল থমথমে, চুপচাপ ইত্যাদি নেতিবাচক বিশেষণ। ২৪ ঘন্টা আগেও পরিবেশ ছিল অপরিবর্তিত। তবে শনিবার একেবারে ভিন্ন চিত্র দেখা গেল মোহনবাগান অনুশীলনে।
ভোল বদলে গিয়েছে মোহনবাগান দলের
যেন কোন এক জাদু কাঠির ছোঁয়ায় রাতারাতি ভোল বদলে গেছে গোটা দলের। থমথমে আবহাওয়া উধাও হয়ে ঝলমলে আলোর ছটা দেখা গেল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের পুরো অনুশীলন জুড়ে। বোঝাই যাচ্ছিল, মানসিক চাপ কাটিয়ে ডার্বির জন্য নিজেদের তৈরি করে ফেলেছে সবুজ-মেরুন শিবির।
শনিবার অনুশীলনে উপস্থিত ছিলেন মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্তও। বহুদিন পর বড় ম্যাচের আগে ক্লাব কর্তাকে মাঠে দেখে পুরনো দিনের আবহ ফিরে পেলেন সমর্থকেরা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, 'প্রতিপক্ষ ১১ জনে খেলতে নামছে না ১৪ জনে খেলতে নামছে সেটাই দেখার।'
শনিবার অনুশীলনের শুরুতে বেশ হালকা মেজাজেই দেখা যায় মোহনবাগান দলকে। অনুশীলনে লোবেরা বিশেষ গুরুত্ব দিলেন আক্রমণভাগের ওপর। সাম্প্রতিক ম্যাচগুলিতে গোলের অভাব ভুগিয়েছে মোহনবাগানকে। সেই কারণেই ডার্বিতে প্রথম একাদশে বদলের ইঙ্গিত মিলছে। চার ডিফেন্ডারের মধ্যে স্টপার হিসেবে থাকবেন টম অলড্রেড, আলবার্তো রড্রিগেজ। দুই প্রান্তে ক্যাপ্টেন শুভাশিস বসু ও অভিষেক সূর্যবংশী। মিডফিল্ডে চার ফুটবলার অনিরুদ্ধ থাপা, আপুইয়া রালতে, লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিং। স্ট্রাইকার দুই বিদেশি জেসন কামিন্স ও জেমি ম্যাকলরেন।
সাংবাদিক সম্মেলন ইস্টবেঙ্গল কে সমীহ করে লোবেরা বলেন 'ইস্টবেঙ্গল এবারের লিগের সেরা দল আমি চেয়েছিলাম তাদের সঙ্গেই আমাদের নির্ণায়ক ম্যাচ খেলা হোক। কিন্তু আমাদের দলের নাম মোহনবাগান আমরা দ্বিতীয় হতে নয় চ্যাম্পিয়ন হতেই নেমেছি।'
মোহনবাগানের সম্ভাব্য একাদশ
বিশাল কাইত (গোলকিপার), টম অলড্রেড, আলবার্তো রড্রিগেজ, শুভাশিস বসু (ক্যাপ্টেন), অভিষেক সূর্যবংশী, অনিরুদ্ধ থাপা, আপুইয়া রালতে, লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিং, জেসন কামিন্স, জেমি ম্যাকলরেন।