Advertisement

ISL 2026: দু'বার পিছিয়ে পড়েও জয়, পঞ্জাবকে হারিয়ে ২ নম্বরে মোহনবাগান

২ বার পিছিয়ে পড়েও মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের দারুণ কামব্যাক। পঞ্জাবের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় সবুজ-মেরুনের। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোল করে  দলকে জেতালেন জেসন কামিন্স। ৩-২ গোলে জয়। দুই নম্বরে উঠে এল মোহনবাগান। শীর্ষে থাকা মুম্বইয়ের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান এখন মাত্র ১। ফলে লড়াইয়ে ভালভাবেই রয়েছে সের্জিও লোবেরার দল। 

মোহনবাগান ক্যাপ্টেন শুভাশিস বসুমোহনবাগান ক্যাপ্টেন শুভাশিস বসু
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:45 PM IST

২ বার পিছিয়ে পড়েও মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের দারুণ কামব্যাক। পঞ্জাবের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় সবুজ-মেরুনের। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোল করে  দলকে জেতালেন জেসন কামিন্স। ৩-২ গোলে জয়। দুই নম্বরে উঠে এল মোহনবাগান। শীর্ষে থাকা মুম্বইয়ের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান এখন মাত্র ১। ফলে লড়াইয়ে ভালভাবেই রয়েছে সের্জিও লোবেরার দল। 

১২ মিনিটে এগিয়ে গেল পাঞ্জাব। বাঁদিক আক্রমণে ঝড় তুলে সুফল পায় পাঞ্জাব। ডিফেন্সের ফাঁককে কাজে লাগিয়ে গোলের সামনে বল পেয়ে যান ড্যানি রামিরেজ। প্রায় ফাঁকা গোলে বল ঠেলে দিতে কোনও ভুল করেননি তিনি। পিছিয়ে থাকার পর বড় ধাক্কা খেল সবুজ-মেরুন। ১৭ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন ডিফেন্ডার আলবার্তো রডরিগেজ। তবে ২৯ মিনিটে অনবদ্য কামব্যাক করল মোহনবাগান। বাঁদিক থেকে রবসনের ফ্লিক চলে যায় জেমি ম্যাকলারেনের কাছে। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুরন্ত শটে গোল করেন অজি বিশ্বকাপার। প্রথমার্ধের সংযুক্তি সময় দিমি পেত্রাতোসের গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফলাফল থাকে ১-১।

দ্বিতীয়ার্ধের ১৫ মিনিট যেতে না যেতেই দুরন্ত ভলিতে পাঞ্জাবকে এগিয়ে দেন এফিয়ং। ৬৯ মিনিটে রবসনকে তুলে আবদুল সামাদকে নামান লোবেরা। গোল শোধের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে ওঠে মোহনবাগান। ৭৪ মিনিটে বদলি হিসাবে নামা সেই সামাদই ডান পায়ের ইনসেটে নেওয়া শটে বিশ্বমানের গোলে সমতায় ফেরান সবুজ-মেরুনকে। ৭৯ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত পাঞ্জাব। পরিত্রাতা ছিলেন বিশাল কাইথ। তবে তখনও ম্যাচের টুইস্ট বাকি ছিল। দ্বিতীয়ার্ধের সংযুক্তি সময়ে ফ্রিকিক থেকে জয়সূচক গোল কামিন্সের। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে দু'বার পিছিয়ে পড়েও জয় পেল মোহবাগান।

তবে ডিফেন্স নিয়ে চিন্তায় থাকতে হবে মোহনবাগান কোচকে। দুটো গোলের সময়েই ডিফেন্স কোথায় ছিল সেটা কেউই জানেন না। সামনের ম্যাচগুলো কঠিন হতে চলেছে। তবে মাঠে নেমেই সাহাল আব্দুল সামাদ যা লখেল্লেন তাতে চমকে যেতে হয়। তাঁকেই কিনা বসিয়ে রাখছিলেন কোচ। সমতাসূচক গোলটা সোনার ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখার মতো। 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement