
এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জিতে আইএসএল-এর শীর্ষে পৌঁছে গেল জামশেদপুর এফসি। চাপ বাড়ল মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট ও ইস্টবেঙ্গলের উপর। লিগ জেতার লড়াইয়ে ফিরে এল ওয়েন কোয়েলের দলও। যদিও ১১টা ম্যাচ তাদের খেলা হয়ে গিয়েছে। সেখানে বাংলার দুই বড় দলই এখনও অবধি খেলেছে ৯টা করে ম্যাচ। ফলে ইস্ট-মোহনের সামনে ৪টে ম্যাচ থাকলেও, জামশেদপুরের সামনে রয়েছে মাত্র ২ ম্যাচ।
কোন দল কত পয়েন্ট পেতে পারে?
জামশেদপুরের বাকি ২ ম্যাচ। দু'টোই যদি তারা জিতে যায়, তবে পৌঁছে যাবে ২৭ পয়েন্টে। মোহনবাগান সেখানে ইতিমধ্যেই ২০ পয়েন্ট নিয়ে বসে আছে। হাতে চারটি ম্যাচ। তিন নম্বরে থাকা এফসি গোয়া পৌঁছতে পারবে ২৫ পয়েন্টে। মুম্বই সিটি এফসি ১০ ম্যাচ খেলে ১৯ পয়েন্ট পেয়েছে। বাকি তিন ম্যাচ জিততে পারলে ২৮ পয়েন্টে পৌঁছে যেতে পারে মুম্বই। তবে সেক্ষেত্রে সমস্যা হবে ইস্টবেঙ্গলের। কারণ এরপর, তাদের ম্যাচ মুম্বইয়ের বিরুদ্ধেই। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল বাকি সব ম্যাচ জিততে পারলে ৩০ পয়েন্ট ছুঁয়ে ফেলবে। মোহনবাগান আবার সব ম্যাচ জিতলে পৌঁছতে পারে ৩২ পয়েন্টে।
কোন দল লিগ জেতার দৌড়ে এগিয়ে?
ফলে একটা ব্যাপার পরিস্কার, এখনও লিগ জেতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে হলে, ইস্টবেঙ্গলকে ডার্বি সহ সব ম্যাচ জিততে হবে। আর সেটা সহজ নয়। বিশেষ করে, যেখানে মুম্বই ম্যাচেও নেই মিগুয়েল ফিগুয়েরা। তিনি মাঝমাঠের প্রধান অস্ত্র অস্কার ব্রুজোর। সাধারণ ম্যাচগুলো রিজার্ভ বেঞ্চ বের করে দিতে পারলেও, ডার্বি বা মুম্বই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে ম্যাচে এই ব্রাজিলিয়ানকে খুব দরকার ইস্টবেঙ্গলের।
টক্কর চলছে স্ট্রাইকারদের মধ্যেও
ইস্টবেঙ্গলের ইয়ুসুফ এজ্জেজারি এখনও সর্বোচ্চ গোল করার ক্ষেত্রে এগিয়ে। তিনি ৯ গোল করে ফেলেছেন। মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের জেমি ম্যাকলরেন একটু পিছিয়ে রয়েছেন এই লড়াইয়ে। ইতিমধ্যেই আট গোল করে ফেলেছেন তিনি। ফলে হাড্ডাহাড্ডি টক্কর হচ্ছে দুই দলের দুই স্ট্রাইকারের মধ্যে। এখন এ ক্ষেত্রে শেষ হাসি কে হাসে সেটাই দেখার।