
নর্থ ইস্ট ম্যাচের আগে একই দিনে জোড়া সুখবর সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের জন্য। শনিবার চলতি মরসুমে প্রথম হারের মুখ দেখল মুম্বই সিটি এফসি। এফসি গোয়ার কাছে ২-০ গোলে হেরে মোহনবাগানের শীর্ষে ওঠার পথ সহজ করে দিল মুম্বই। অন্যদিকে, কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছেও ২-০ গোলে হারল জামশেদপুর এফসি।
এদিনের প্রথম ম্যাচে ১২ মিনিটে নিহাল সুদেশ এবং ৩৬ মিনিটে ভিস্মি মহাননের গোলে হারের মুখ দেখতে হয় জামশেদপুরকে। ৮৪ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন জামশেদপুর এফসির অধিনায়ক স্টিফেন এজে। দ্বিতীয় ম্যাচে ২৯ মিনিটে কর্নার থেকে এগিয়ে যায় গোয়া। তেজান দ্রাজিচের কর্নার থেকে বল জালে পাঠান সাহিল তাভোরা। পিছিয়ে পড়ার পর মুম্বই আক্রমণে ঝাঁপালেও, সমতা ফেরানো যায়নি। প্রথমার্ধের সংযোজনী সময়ে মাঝমাঠে রেইনিয়েরের পাস পেয়ে প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ের দুরস্ত শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেমিল। সেই গোল কার্যত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
দ্বিতীয়ার্ধে মুম্বই একাধিক সুযোগ তৈরী করলেও সমতা ফেরাতে ব্যর্থ হয়। এই পরাজয়ের ফলে মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গলের কাছে সুযোগ তৈরী হল টেবিলের শীর্ষে যাওয়ার। নর্থইস্টকে হারাতে পারলেই ফের একবার টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করবে মোহনবাগান।
শনিবার কলকাতায় অনুশীলন শেষে সেই কারণেই লোবেরা বলেন, 'গুয়াহাটির আবহাওয়া এবং উচ্চতা একটা সমস্যা তৈরি করতে পারে। তবে আমি অজুহাত দিতে চাই না। আমাদের যা স্কোয়াড রয়েছে, তাতে যেকোনও পরিস্থিতিতেই লড়াই করা সম্ভব। এই তিন পয়েন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ।' বাগানের প্রথম একাদশ নিয়ে বেশ ধোঁয়াশা রয়েছে। নর্থইন্টের বিরুদ্ধে অ্যালবার্তোর পরিবর্তে প্রথম একাদশে আসছেন টম অলড্রেড। তাঁর সঙ্গে স্টপারে সম্ভবত জুটি বাঁধবেন মেহতাব। এছাড়া দুই সাইড ব্যাক হতে চলেছেন অভিষেক এবং শুভাশিস বসু।
সাহাল যদি প্রথম একাদশ না পান সেক্ষেত্রে মাঝ মাঠে অনিরুদ্ধ থাপার পাশে খেলবেন দীপক টাংরি। এছাড়া দুই উইংয়ে থাকবেন লিস্টন এবং মনবীর। নম্বর টেন পজিশনে খেলতে পারেন রবসন এবং আক্রমণে থাকবেন জেমি ম্যাকলারেন। আরও একটি সম্ভাবনা রয়েছে। সাহাল প্রথম একাদশে খেললে তিনি সম্ভবত নম্বর টেন পজিশনে খেলবেন। সেক্ষেত্রে থাপর পাশে খেলবেন টাংরি। তখন দুই উইংয়ে খেলতে পারেন রবসন এবং দিমি তোতোস। সামনে জেমি ম্যাকলারেন।