Advertisement

Kalyan Chaubey On Miguel Red Card: মিগুয়েল বিতর্ক এড়ালেন কল্যাণ, মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের মন পাওয়ার চেষ্টা?

বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে ম্যাচে মিগুয়েলের লাল কার্ড নিয়ে উত্তপ্ত ময়দান। ইস্টবেঙ্গল ক্ষুব্ধ এই ঘটনায়। রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে ফেডারেশনের কাছে শাস্তি কমানোর আবেদনও করেছিল। এআইএফএফ-এর শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি এ ব্যাপারে জানিয়ে দিয়েছে, তিন ম্যাচ ব্যান হতে পারেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। তবে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও দেওয়া হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে। আর এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে তা এড়িয়ে যান। 

কল্যান চৌবেকল্যান চৌবে
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 20 Apr 2026,
  • अपडेटेड 1:23 PM IST

বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে ম্যাচে মিগুয়েলের লাল কার্ড নিয়ে উত্তপ্ত ময়দান। ইস্টবেঙ্গল ক্ষুব্ধ এই ঘটনায়। রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে ফেডারেশনের কাছে শাস্তি কমানোর আবেদনও করেছিল। এআইএফএফ-এর শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি এ ব্যাপারে জানিয়ে দিয়েছে, তিন ম্যাচ ব্যান হতে পারেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। তবে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও দেওয়া হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে। আর এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে তা এড়িয়ে যান। 

ডিসেম্বর অবধি সভাপতি থাকছেন কল্যাণ

আসলে ফিফার সৌজন্যে ডিসেম্বর পর্যন্ত সভাপতি পদে থাকার সুযোগ পেয়েছেন কল্যাণ। তারপর হবে ভোট। তার আগে পরের মরসুমের আইএসএল-এর জন্য স্পন্সর খুঁজে পেতে মরিয়া ফেডারেশন সভাপতি। আর তিনি এই লক্ষ্যে সফল হবেন বলে আশাবাদী। আর এই কাজটা থিকভাবে করতে গেলে বাংলার তিন বড় ক্লাবেরই সমর্থন জরুরী। 

কিছুদিন আগেই শোনা গিয়েছিল, এক বেসরকারি সংস্থার থেকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব পেয়েছে ফেডারেশন। তবে বেঁকে বসে ক্লাবজোট। কারণ, তাঁদের দাবি, চুক্তিতে বোলা হয়েছে, লাভ হলে তবেই, টাকা পাবে ক্লাবগুলো। আর এতেই আপত্তি তাদের। এত বছর ধরে এত টাকা বিনিয়োগ করার পরও খুব বেশি ক্লাব লাভের মুখ দেখতে পায়নি। সেখানে পরের মরসুমে হঠাৎ করে লাভ হবেই এমনটা বলে দেয়া যায় না। সেক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে থাকবে ক্লাবগুলোর। আর এই বিক্ষোভের আঁচ বুঝতে পেরে তিন বড় ক্লাবকে হাতে রাখতে চাইছেন কল্যাণ। যাতে ক্লাব জোটের বৈঠকে আপত্তি বাধা না হয়। চুক্তি ভালভাবে করে ফেলা যায়।    

কী বললেন কল্যাণ?
রেফারিদের নিয়ে প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরেই উঠছে। মিগুয়েলের লাল কার্ড সেই প্রশ্নকে আরও জোরাল করেছে। এবারের আইএসএল-এ রেফারির মান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কল্যাণ বলেন, 'দেখো, রেফারি এবং কোচেস ডেভেলপমেন্ট একটা লং টার্ম প্রসেস। এবং আমরা এসে রেফারিদের যে একটা লং টার্ম কন্ট্রাক্ট দেওয়া উচিত, সেই কন্ট্রাক্ট দিয়েছি। এর আগে পর্যন্ত রেফারিরা ম্যাচ ভিত্তিক পারিশ্রমিক পেত এবং সেখানে তাদের একটা আর্থিক অনিশ্চয়তার জন্য রেফারিং তারা মূল পেশা হিসেবে নিতে পারত না। আমার মনে হয় যে তোমরা নিশ্চয়ই এটাকে প্রশংসা করবে যে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন রেফারিদেরকে একটা লং টার্ম কন্ট্রাক্ট দিয়েছে। এছাড়াও রেফারি ডেভেলপমেন্টের কোর্সেস চলছে। আমার মনে হয় রেফারিংয়ে আরও উন্নতি করা দরকার। আর এই উন্নতি যেভাবে রেফারি ইনস্ট্রাকটরদের মাধ্যমে রেফারিরা নিজেদেরকে উন্নতি করবে, এবং উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে একজন রেফারি কতগুলো ম্যাচ খেলাচ্ছে, অর্থাৎ ম্যাচ টাইম পাচ্ছে, সেটাও নির্ভর করবে। গৌতম কর এই মুহূর্তে এবং এম সুরেশ—এই দুজন এই মুহূর্তে রেফারি ডিপার্টমেন্টকে হেড করছেন। তারা দীর্ঘদিন ভারতীয় ফুটবলের রেফারিং করিয়েছেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, তারা আরও সচেষ্ট হবে কীভাবে রেফারিদের ভুলভ্রান্তি গুলোকে কমানো যায়।'

Advertisement

মিগুয়েল প্রসঙ্গে কী বললেন কল্যাণ?
তবে কি মিগুয়েলের ক্ষেত্রে রেফারির ভুল ছিল? এ প্রশ্ন যদিও এড়িয়ে গিয়েছেন ফেডারেশন সভাপতি। আলাদা করে কোনও ম্যাচ নিয়ে কথা বলতে চান না বলেও জানিয়েছেন তিনি। কল্যাণ বলেন, 'না, আমি কোন একটি ম্যাচ, কোন একজন রেফারি সম্পর্কে আমার মন্তব্য করা উচিত হবে না। কিন্তু আমি বলছি সামগ্রিকভাবে যদি ফুটবলের উন্নতি করতে হয়, সেখানে রেফারিং, কোচেস এবং ইয়ুথ—এই তিনটি বিভাগের একটা সম্মিলিত ডেভেলপমেন্ট করা দরকার। ফেডারেশন চেষ্টা করছে, ফেডারেশন একটা লং টার্ম গোল নিয়ে তাদের ডেভেলপমেন্টের একটা প্রসেস করছে।'

অর্থাৎ সরাসরি না বললেও রেফারির দিকেই আঙ্গুল তুলেছেন কল্যাণ। তবে মিগুয়েলের ব্যাপারে রেফারির ভূমিকা নিয়ে আলাদা করে কিছু বলেননি। আসলে যদি তিনি সরাসরি লাল-হলুদ ক্লাবের পাশে দাঁড়াতেন তবে ডিসিপ্লিনারি কমিটির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠে যেতে পারত। প্রশ্ন তুলতে পারত মোহনবাগান সুপার জায়েন্টও। কল্যাণ সেই ঝুঁকি নিলেন না। সাপও মরল, লাঠিও ভাঙল না।

Read more!
Advertisement
Advertisement