Advertisement

Lionel Messi Statue: লেকটাউনে দুলছে মেসির ৭০ ফুটের মূর্তি, ভেঙে পড়া শুধু সময়ের অপেক্ষা; থানায় বাসিন্দারা

পাঁচ মাস আগেই ঘটা করে উদ্বোধন করা হয়েছিল, লেকটাউনে লিওনেল মেসির মূর্তি। মেসি তাঁর কলকাতা সফরেই উদ্বোধন করেন এই মূর্তি। তবে সেই মূর্তিই এখন ভেঙে পড়ার মতো পরিস্থিতি। লেকটাউনের এই মূর্তি নিয়ে নানা বিতর্ক ছিল শুরু থেকেই। প্রথমত এমন মূর্তি কীভাবে লিওনেল মেসির হয়? সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা।

সেই মেসির মূর্তিসেই মেসির মূর্তি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 May 2026,
  • अपडेटेड 4:35 PM IST

পাঁচ মাস আগেই ঘটা করে উদ্বোধন করা হয়েছিল, লেকটাউনে লিওনেল মেসির মূর্তি। মেসি তাঁর কলকাতা সফরেই উদ্বোধন করেন এই মূর্তি। তবে সেই মূর্তিই এখন ভেঙে পড়ার মতো পরিস্থিতি। লেকটাউনের এই মূর্তি নিয়ে নানা বিতর্ক ছিল শুরু থেকেই। প্রথমত এমন মূর্তি কীভাবে লিওনেল মেসির হয়? সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা।

এরপর মেসি কলকাতা সফর নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই অভিযোগ পাওয়া যায়, পূর্ত দফতরের থেকে এনওসিও নেওয়া হয়নি। রাজ্যে পালাবদলের পর, এই মূর্তি নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই সোমবার স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন হাওয়ায় দুলছে ৭০ ফুটের সেই মূর্তি। 

তবে বর্তমানে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাওয়ায় মূর্তিটি প্রবল দুলছে। মূর্তিটির ঠিক নিচে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন রয়েছে। সন্ধ্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা ভিড় করে আইপিএলের ম্যাচ দেখেন। সেই সময় মূর্তিটি ভেঙে পড়লে বহু মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা থাকবে। তাছাড়া, মূর্তির নিচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারদিকে পাথর-মাটি বেরিয়ে পড়েছে। ফলে মূর্তিটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা সেই মূর্তিটি ভেঙে বিপদ বাঁধতে পারে। সেই পরিস্থিতি যাতে না তৈরি হয়, তাই সরজমিনে খতিয়ে দেখতে আসেন পূর্ত দপ্তরে ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক ও লেকটাউন থানার পুলিশ। স্থানীয় মানুষ লেকটাউন থানায় অভিযোগ করেন, মেসির স্ট্যাচু হাওয়ায় দুলছে। যখন-তখন ভেঙে পড়তে পারে। তারপরই ইঞ্জিনিয়ার, পুলিশ ও আধিকারিকরা পরিদর্শনে আসেন। জানা গিয়েছে তড়িঘড়ি তারা ব্যবস্থা নিতে চলেছেন। অনুমান, সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে দেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, গতবছর ডিসেম্বর মাসে প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর তত্ত্বাবধানে মূর্তিটি তৈরি করা হয়। 

মেসির কলকাতা সফরে ভার্চুয়ালি ৭০ ফুটের মূর্তিটির উদ্বোধন করেন খোদ আর্জেন্টিনীয় ফুটবল তারকা। পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত, তাঁর তত্ত্বাবধানে ও উদ্যোগে মূর্তিটি তৈরি হয়। শিল্পী মন্টি পাল নেতৃত্ব দেন গোটা প্রকল্পের।  

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement