
সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় কে সই করিয়ে চমক দিয়েছিল মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। আর এবার নিজেদের ইয়ুথ সিষ্টেম ঢেলে সাজাতে চাইছে তারা। সেখানেই শেষ নয়, জেসিন টিকেও বাগানের অন্যতম লক্ষ্য। তবে শুধু ফুটবলার নয়। মোহনবাগান ম্যানেজমেন্ট ভেঙে ফেলতে চাইছে ইস্টবেঙ্গলের ইয়ুথ সিস্টেমের মূল কাঠামোটাই। তাদের লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলের ইয়ুথ ফুটবল হেড এবং সিনিয়র দলের সহকারী ভারতীয় কোচ বিনো জর্জ।
ইমামি ইস্টবেঙ্গলের শুরু থেকেই লাল-হলুদে রয়েছেন বিনো। প্রায় একার হাতে নতুন করে তৈরি করেছেন ইয়ুথ সিস্টেম। অনেক কম বাজেটের মধ্যেও ভাল রিজার্ভ দল গড়ে তুলেছেন। সিনিয়র দল এবং যুব দলের কোচ হিসাবে তাঁর সাফল্য অত্যন্ত ঈর্শনীয়। কলকাতা লিগ চাম্পিয়ন করেছেন ইষ্টবেঙ্গলকে। যুব পর্যায়ে শেষ কয়েক বছরে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে বিনোর রেকর্ড বেশ ভাল। বিষ্ণু পিভির মতো ফুটবলারকে তুলে আনার পিছনে বড় অবদান বিনোর।
বাগান চাইছে কেরলের এই কোচকে দলে নিয়ে নিজেদের ইয়ুথ সিস্টেমকে নতুন করে সাজাতে। বিনো সত্যিই মোহনবাগানের চুক্তিতে সই করে দিলে সেটা ইস্টবেঙ্গলের জন্য যে বড় ধাক্কা হবে বলাই বাহুল্য।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার বিকালে ইস্টবেঙ্গল কেত অস্তার ব্রুজোর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন ইমামি কর্তারা। বৈঠকের পর ইতিবাচক বার্তাও দেন তাঁরা। তবে হঠাৎ করে বুধবার রাতেই কলকাতা থেকে স্পেনে ফেরার বিমান ধরলেন তিনি। অস্কারের হয়ৎ করেই দেশে ফেরা, তাঁর আগামী বছর ইস্টবেঙ্গলে কোচিং করার বিষয়টিকে কিছুটা হলেও প্রশ্ন তুলে দিল। প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলের আগামী বছরের দল গঠনের পরিকল্পনা নিয়েও। ইমামি কি আদৌ থাকবে? তা কিছুটা স্পষ্ট হতে পারে বৃহস্পতিবার। বিকালে ইমামি কর্তাদের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসর কথা। এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে ফুটবলাররাও। কারণ একাধিক ফুটবলারের চুক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে চলতি মাসেই। তাঁরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দিহান। ফলে এই বৈঠকেই ঠিক হবে ভবিষ্যৎ। আর সেদিকেই তাকিয়ে লাল-হলুদ জনতা।