
বিশ্বকাপ শুরু হয়ে গেলেও চোট সমস্যা পিছু ছাড়ছে না ব্রাজিলের। নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও অব্যহত। কবে তিনি মাঠে নামবেন, আদৌ তিনি এবারের বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন কিনা সেটাই বড় প্রশ্ন। এর মধ্যেই হাইতির বিরুদ্ধে ম্যাচে ফের চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন স্ট্রাইকার রাফিনহা। ফলে উদ্বেগ আরও বাড়ল ব্রাজিল শিবিরে।
রাফিনহার চোট কতটা গুরুতর?
বিশ্বকাপের আগেই রাফিনহার চোট নিয়ে আপডেট পাওয়া গিয়েছিল। জানা গিয়েছিল, হ্যামস্ট্রিং-এ চোট আছে ব্রাজিল তারকার। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে খেলার সময়ও তিনি হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। আর শনিবার ভোরে হাইতির বিরুদ্ধেও তাঁকে তুলে নিতে বাধ্য হলেন কার্লো আনসালত্তি।
ঝুঁকি নিতে নারাজ ব্রাজিল
প্রথমার্ধের ৩৯ মিনিটে হাইতির বক্সের বাইরে বল নিয়ে ড্রিবল করতে গিয়ে হঠাৎই ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিং ধরে মাটিতে বসে পড়েন রাফিনহা। ফিজিওরা সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ঢোকেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর রাফিনহা নিজেই উঠে দাঁড়ান। গোলকিপার আলিসন বেকার ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ধীরে ধীরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। কোনো স্ট্রেচারের প্রয়োজন হয়নি, যা সাময়িক স্বস্তি দিয়েছে ব্রাজিল শিবিরকে।
কোচ কার্লো আনসালত্তি কোনো ঝুঁকি নেননি। ৪০ মিনিটেই বোর্নমাউথের ২০ বছর বয়সী তরুণ উইঙ্গার রায়ানকে নামিয়ে দেন রাফিনহার বদলে। তখন ব্রাজিল ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল।
কী জানাল ব্রাজিল?
ম্যাচ শেষে প্রেস কনফারেন্সে আনসালত্তি জানান, 'রাফিনহা হ্যামস্ট্রিংয়ে টান অনুভব করেছে। আমরা আগামীকাল এমআরআই করাব। আশা করছি গুরুতর কিছু নয়। তবে বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে আমরা কোনো প্লেয়ারকে নিয়ে রিস্ক নেব না।' ব্রাজিলের টিম ডাক্তার রদ্রিগো লাসমার প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন, এটি গ্রেড-১ হ্যামস্ট্রিং স্ট্রেইন হতে পারে। সেক্ষেত্রে ৭-১০ দিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে। গ্রেড-২ হলে ৩-৪ সপ্তাহ লাগতে পারে। উল্লেখ্য, নেইমার ইতিমধ্যেই কাফ ইনজুরির কারণে এই ম্যাচ মিস করেছেন। এবার রাফিনহা ছিটকে গেলে ব্রাজিলের ডান উইংয়ে বড় শূন্যতা তৈরি হবে।