
বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই ঘটে গেল ভয়াবহ ঘটনা। যার জেরে প্রশ্নের মুখে আয়োজক আমেরিকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইংল্যান্ড দলের বেস ক্যাম্পের বাইরে চলল গুলি। কানসাস সিটিতে বেস ক্যাম্প করেছে ইংল্যান্ড। সেই ক্যাম্পের ৫ কিলোমিটার দূরে চলেছে গুলি। স্থানীয় সময় শনিবার ভোর চারটের সময় ঘটে এই ঘটনা। এর জেরে ৯জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এখনও সমস্ত ফুটবলার ইংল্যান্ড শিবিরে যোগ দেননি
আহত ৯ জনের মধ্যে কারুর অবস্থাই গুরুতর নয়। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার মাত্র ৪ দিন আগে এই ঘটনায় মুখ পুড়েছে আমেরিকা প্রশাসনের। যদিও ইংল্যান্ড দলের সবাই এখনও ট্রেনিং-এ যোগ দেননি। একে একে এসে পৌঁছচ্ছেন তারকারা। এর মধ্যেই গুলি চালনার ঘটনা আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন যদিও এই ঘটনার সঙ্গে বিশ্বকাপের সম্পর্ক নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছে। কানসাস সিটি পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা অ্যালায়না গঞ্জালেজ জোর দিয়ে বলেছেন যে, 'ঘটনাটি কোনো বিশ্বকাপ ভেন্যু বা বিশ্বকাপের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো স্থানের—যার মধ্যে ইংল্যান্ডের বেস ক্যাম্পও অন্তর্ভুক্ত—কাছাকাছি ঘটেনি।'
পুলিশ জানিয়েছে, ইংল্যান্ডের দলটি যে হোটেলে রয়েছে, সেখান থেকে যেখানে ঘটনা ঘটেছে, তা প্রায় ১৫ মাইল দূরে অবস্থিত। ৭৯তম স্ট্রিট ও ট্রুস্ট অ্যাভিনিউয়ের কাছে গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে যে সেখানে জড়ো হওয়া বেশ কয়েকজন ছত্রভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে।
গুলিবর্ষণের ঘটনায় আহত তিন মহিলাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে আরও ছয়জন আহতের খবর পেয়ে; তাদেরও ব্যক্তিগত গাড়িতে করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে স্বস্তির খবর তাদের আঘাত প্রাণঘাতী নয়। ঠিক কী কারণে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
গোলাগুলি যেখানে ঘটেছে সেখাঙ্কার স্থানীয় বাসিন্দা কেট ফাউলার 'কানসাস সিটি স্টার' পত্রিকাকে জানান, তিনি ও তাঁর স্বামী ঘুম থেকে উঠে দেখেন তাঁদের বাড়ির সামনের দিকের একটি জানালায় গুলির চিহ্ন। পরে তিনি জানতে পারেন যে, শনিবার সকালের ঘটনার পাশাপাশি শুক্রবার রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যেও সেখানে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছিল। ফাউলার বলেন, 'এই এলাকায় সপ্তাহে অন্তত একবার গুলির শব্দ শোনাটা কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা নয়।' ফাউলার 'কানসাস সিটি স্টার'-কে বলেন, 'এখানকার কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পরিস্থিতিটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক।' তবে ঘটনার সময় ইংল্যান্ড দল ফ্লোরিডায় ছিল।