
অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন। প্রত্যাশা মতোই বল নিজেদের দখলে রেখে একের পর এক আক্রমণ তুলে আনেন স্প্যানিশ ফুটবলাররা। প্রথম গোল পেতে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। তবে স্ট্রাইকাররা মিস না করলে ব্যবধান নিশ্চিতভাবেই বাড়তে পারত। সকলের নজর ছিল, লামিনে ইয়ামালের দিকে। গোল না পেলেও হতাশ করেননি।
প্রথম গোল (৩৬তম মিনিট): পেদ্রি (Pedri) বল বাড়ান মার্ক কুকুরেলার (Marc Cucurella) দিকে। কুকুরেলা দারুণ এক নিচু ক্রস করেন, যা থেকে মিকেল ওয়ারজাবাল (Mikel Oyarzabal) ১২ গজ দূর থেকে বলটি জালে জড়িয়ে দেন।
দ্বিতীয় গোল (৬৬তম মিনিট): স্পেনের দীর্ঘক্ষণ বল দখলের পর, অ্যালেক্স বায়েনা (Álex Baena) খেলার গতি বাড়িয়ে বলটি মাঝমাঠের দিকে দানি ওলমোর (Dani Olmo) উদ্দেশ্যে পাস দেন। ওলমো শট নেওয়ার চেষ্টা করার সময় বাধার মুখে পড়েন, কিন্তু বলটি পুনরায় বায়েইনার কাছে ফিরে আসে। বায়েইনা বাঁ দিক থেকে ডি-বক্সের ভেতরে একটি চমৎকার ক্রস করেন। সেই সময় পেদ্রো পোরো ক্ষিপ্র গতিতে বক্সে ঢুকে চমৎকার হেডে বলটি জালে জড়ান।
মিকেল ওইয়ারসাবাল খুব কাছ থেকে নিখুঁত শটে বলটি জালে জড়িয়ে দেন। তবে এই গোলের ক্ষেত্রে প্রশংসা প্রাপ্য কুকুরেয়ার। বাঁ দিক থেকে উঠে এসে অস্ট্রিয়ার ডিফেন্স ও গোলকিপারের মাঝে ফাঁকা জায়গায় গড়ানো ক্রস রাখেন। ওইয়ারসাবাল পেছন থেকে ছুটে এসে একা গোলকিপারকে সামনে পেয়ে যান বল না ধরেই, ওইয়ারসাবাল সোজা তা প্লেস করে দেন গোলের মধ্যে। স্পেনের ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন।
পরের রাউন্ডে স্পেনের প্রতিপক্ষ কে তা জানা যাবে কয়েকঘণ্টা পর। কারণ, রাউন্ড অফ ১৬-এ স্পেন মুখোমুখি হবে পর্তুগাল অথবা ক্রোয়েশিয়ার। এই দুই দলের মধ্যে বিজয়ীর সাথে ৬ জুলাই ২০২৬-এ স্পেনের পরবর্তী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। আর শুক্রবার ভোরেই পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়া ,মুখোমুখি হবে।