
বিশ্বকাপ ফাইনালেও (FIFA World Cup 2026) বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। একদিকে যেমন, এঞ্জো ফার্নান্দেজের (Enjo Fernandez) লাল কার্ড নিয়ে বিতর্ক হয়েছে, তেমনই বিতর্ক হয়েছে গোল্ডেন বল (Golden Ball) নিয়েও। অনেকেই আশা করেছিলেন গোল্ডেন বল পাবেন লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। তা দেওয়া হয়েছে স্পেনের (Spain) রদ্রিকে (Rodri)। মেসির আটটা গোল গোটা টুর্নামেন্টে। সঙ্গে ৪টি অ্যাসিস্ট। যার দু'টি এসেছিল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পিছিয়ে থাকার সময়। এরপরেও তিনি গোল্ডেন বল না পাওয়ায় প্রশ্ন উঠছে।
গোল্ডেন বুটও পেলেন না মেসি
সবচেয়ে বেশি গোল করার পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় গোল্ডেন বুট। সেটাও মেসির হাতে ওঠেনি। তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২ গোল করে সেই ট্রফি নিজের দখলে নিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে। ফাইনালে হ্যাটট্রিক করতে পারলে এই ট্রফি পেতে পারতেন মেসি। তবে তা হয়নি। ফাইনাল ম্যাচে স্পেনের বিরুদ্ধে প্রায় খুঁজেই পাওয়া যায়নি ৩৯ বছর বয়সী তারকাকে। গোটা দল একটাও শট তিন কাঠির মধ্যে রাখতে পারেনি ফলে উনাই সিমেন্সকে প্রায় কোনও প্রতিরোধের মুখেই পড়তে হয়নি।
গোল্ডেন বল হাতছাড়া
গোটা টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা ফুটবলারকে দেওয়া হয় এই পুরস্কার। রেকর্ডের হিসেবে সেখানে মেসির ধারেকাছে কেউ নেই। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে স্পেনের হয়ে ৮ ম্যাচ খেলে পেদ্রি কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট করতে পারেননি। তবে মাঝমাঠে তাঁর নিখুঁত পাসিং ও ট্যাকল স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ে বড় ভূমিকা রাখে। এমনকি তিনি আক্রমণভাগে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আসরের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ছিলেন পেদ্রি। আর সেই কারণেই এই পুরস্কার পেলেন তিনি।
পরপর দুইবার বিশ্বসেরা হওয়া হল না মেসির। এটাই হয়ত তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। তবুও সেই সম্মানটাই যেন পেলেন না আর্জেন্টিনার সুপারস্টার। দলকে প্রায় একাই ফাইনালে তুললেন। কিন্তু শেষ ল্যাপে সাফল্য অধরা। ব্যক্তিগত কোনও ট্রফি জায়গা পাচ্ছে না তাঁর ক্যাবিনেটে। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন লিও। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ২০১৪-র বিশ্বকাপের ফাইনালেও জার্মানির কাছে হারতে হয়েছিল ফাইনালে। তবে সেবার অন্তত গোল্ডেন বলটা নিজের নামে করে নিতে পেরেছিলেন মেসি। তবে এবার সেটাও হল না।