
জার্মানিকে হারিয়ে রাউন্ড অফ ৩২-তে জায়গা করে নিল ইকুয়েডর। এই ম্যাচটা তাদের জিততেই হত। জার্মানিকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়েনি ইকুয়েডর। ম্যাচে শুরুতে লেরয় সানের গোলে চারবারের চ্যাম্পিয়নরা। বেশি সময় ইকুয়েডর নেয়নি তা শোধ করতে। ৯ মিনিটে সেই গোল শোধ করেন নিলসোন আঙ্গুলো। ৭৬ মিনিটে জয়সূচক গোল আসে গঞ্জালো প্লাজার পা থেকে।
ফ্লোরিয়ান উইর্টজের নিখুঁত পাস থেকে নিচের কোণে বল জড়িয়ে দেন লেরয় সানে। ম্যাচের দুই মিনিটের মধ্যেই গোল পেয়ে যায় জার্মানি। তবে গোলটি নিয়ে ক্ষুব্ধ হতে দেখা যায় ইকুয়েডরের খেলোয়াড়রদের। লাতিন দলটির খেলোয়াড়রা দাবি করেন, আক্রমণ শুরুর আগে আলেকজান্ডার পাভলোভিচ পা তুলে পেদ্রো ভিতেকে ফাউল করেছিলেন। তবু গোলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন রেফারি।
প্রশ্ন উঠছে রেফারি এবং ভার-এর সিদ্ধান্ত নিয়ে। বুধবার রাতে সামান্য ফাউল করার জন্য বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল ভিনিসিয়াসের গোল। তা হলে সানের গোল দেওয়া হল কোন যুক্তিতে? পা উপরে তুলে প্রতিপক্ষকে আঘাত করার ক্ষেত্রে হলুদ তো বটেই, লাল কার্ডও দেওয়া হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কোনওটিই হল না। রেফারি যুক্তি দিলেন, যে হেতু বলটি আগে পাভলোভিচের পায়ে লেগেছে তাই সেটি ফাউল নয়।
এরপর ৯ মিনিটে ইকুয়েডরের নিলসন অ্যাঙ্গুলো বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের শটে বলটি ডানদিকের নিচের কোণায় পাঠান। পেদ্রো ভিটের সহায়তায়। ম্যাচে ফেরে সমতা। ৭৮ মিনিটে গঞ্জালো প্লাতার গোলে এগিয়ে যায় ইকুয়েডর। ফলে বিপাকে পড়ে জার্মানি। এমনিতেও সানে ছাড়া কেউই সেভাবে দাগ কাটতে পারেননি। ইকুয়েডরের হয়ে এদিন নজর কাড়েন পেদ্রো ভিতে, জন ইয়েবোয়াহ, হোয়েল ওরদোনিয়েস, নিলসন আঙ্গুলো। গনসালো প্লাতা