Advertisement

World Cup 2026: ইকুয়েডরের কাছে হারের পরেই ভাঙন জার্মান শিবিরে, চারবারের চ্যাম্পিয়নদের হল কী?

চারবারের বিশ্বকাপ জেতা জার্মানির হলটা কী? ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে হার, আর তারপর দলের মধ্যে মতের অমিলের খবর সামনে আসতে চাপে গোটা দল। ম্যাচ শেষে হারের দায় দলের ফুটবলারদের উপর চাপিয়েছেন জার্মানির কোচ জুলিয়ান নাগেলম্যান। তিনি বলেন, 'আমরা খুব ভাল শুরু করেছিলাম। কিন্তু গোলটা করার পরেই কেমন গুটিয়ে গেলাম। ইকুয়েডরের হারানোর কিছু ছিল না। তাই ওরা যে মরিয়া চেষ্টা করবে সেটা আমরা জানতাম। কিন্তু আমাদের ফুটবলারদেরও হাই প্রেসিং ফুটবল খেলতে হত। সেটা হল না। ওদের জায়গা দিলাম। তাতে হারতে হল।'

জার্মানি দলজার্মানি দল
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 26 Jun 2026,
  • अपडेटेड 11:50 PM IST

চারবারের বিশ্বকাপ জেতা জার্মানির হলটা কী? ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে হার, আর তারপর দলের মধ্যে মতের অমিলের খবর সামনে আসতে চাপে গোটা দল। ম্যাচ শেষে হারের দায় দলের ফুটবলারদের উপর চাপিয়েছেন জার্মানির কোচ জুলিয়ান নাগেলম্যান। তিনি বলেন, 'আমরা খুব ভাল শুরু করেছিলাম। কিন্তু গোলটা করার পরেই কেমন গুটিয়ে গেলাম। ইকুয়েডরের হারানোর কিছু ছিল না। তাই ওরা যে মরিয়া চেষ্টা করবে সেটা আমরা জানতাম। কিন্তু আমাদের ফুটবলারদেরও হাই প্রেসিং ফুটবল খেলতে হত। সেটা হল না। ওদের জায়গা দিলাম। তাতে হারতে হল।'

কোচের মতে, পরিকল্পনায় ভুল হয়েছে তাঁদের। কিন্তু তা মানতে নারাজ দলের দুই ফুটবলার ডেনিজ উন্ডাভ ও জোশুয়া কিমিচ। তাঁদের মতে, ইকুয়েডরের ফুটবলারেরা তাঁদের থেকে অনেক বেশি জেতার তাগিদ দেখিয়েছেন। তাই তাঁরা জিতেছেন। উন্ডাভ বলেন, 'আমার মনে হয় ওরা জেতার জন্য মরিয়া ছিল। আরও আরও আক্রমণাত্মক খেলেছে। নিজেদের ১০০ শতাংশ দিয়েচে। প্রতিটা বলের জন্য দৌড়েছে। আমরা সেটা করতে পারিনি। পরিকল্পনায় কোনও ভুল ছিল না।'

একই কথা শোনা গিয়েছে কিমিচের মুখে। তিনি বলেন, 'একটাই পার্থক্য ছিল। আমাদের থেকেও ওদের জেতার তাগিদ ছিল বেশি। তাই ওরা জিতেছে। যোগ্য দল হিসাবে জিতেছে।' দুই ফুটবলারের কথা থেকে পরিষ্কার, কোচের সঙ্গে একমত নন তাঁরা। এই পরস্পর বিরোধী মন্তব্যের পরেই জার্মানির শিবিরে ভাঙনের জল্পনা শুরু হয়েছে।

কীভাবে অবিশ্বাস্য জয় পেল ইকুয়েডর?
ম্যাচের বয়স তখন মাত্র দুই মিনিট। হুলিয়ান নাগেলসম্যানের জার্মানিকে লিড এনে দেন লেরয় সানে। ভিএআর (VAR) রিভিউয়ের পর রেফারি যখন গোলের বাঁশি বাজালেন, তখন গ্যালারিতে থাকা হলুদ জার্সি পরা ইকুয়েডর সমর্থকদের মনে হয়তো বিদায়ের ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছিল। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হতো, আর সেখানে শুরুতেই গোল হজম—যেকোনো দলের মানসিকতা ভেঙে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।

ইকুয়েডর ভেঙে পড়ার বদলে বুক চিতিয়ে লড়াই শুরু করে। মাঝমাঠে মইসেস কাইসেদোর দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং উইঙে জন ইয়েবোয়াহর গতিশীল ফুটবল জার্মানির বিশ্বসেরা রক্ষণভাগকে কাঁপিয়ে দেয়। ইকুয়েডরের একের পর এক আক্রমণের ফল আসে ম্যাচের মাঝপথে। নিলসন অ্যাঙ্গুলোর নিখুঁত এক শটে পরাস্ত হন জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার। চলতি বিশ্বকাপে এটাই ছিল ইকুয়েডরের প্রথম গোল, আর সেই গোলের উদযাপনে নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে যেন ভূমিকম্প নেমে আসে। এই এক গোলেই বদলে যায় ম্যাচের মনস্তত্ত্ব। ডাগআউটে ছটফট করতে থাকা ইকুয়েডর কোচ বেকাসেসে বুঝতে পেরেছিলেন, ইতিহাস গড়া সম্ভব। এরপরই আসে সেই অবিশ্বাস্য মুহূর্ত। একটি সাধারণ কর্নার সামলাতে গিয়ে ব্যর্থ হন অভিজ্ঞ নয়ার। সুযোগের অপেক্ষায় থাকা গঞ্জালো প্লাটা ঠিক তার আগের মিসের হতাশা ভুলে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং বল জড়িয়ে দেন জার্মানির জালে। এরপর আর ফেরত আসতে পারেনি জার্মানি। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement