
ভায়াগ্রা খাওয়া নিয়ে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা নাকি মেক্সিকো ম্যাচের আগে ভায়াগ্রা খাচ্ছেন? এবার এ নিয়ে মুখ খুললেন ইংল্যান্ডের কোচ টমাস তুখেল। বিপক্ষ দলের ট্যাকটিক্স বা ফর্ম নয়, এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে উচ্চতা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২২৪০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত মেক্সিকো সিটির এই অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম। যে উচ্চতায় খেলতে অভ্যস্ত নন ইংল্যান্ডের প্লেয়াররা। তাই এই বাধা টপকাতে বিশেষ ওষুধ হিসেবে ভায়াগ্রা ব্যবহার করবে ইংল্যান্ড, এমনটাই রটে।
কী জানালেন ইংল্যান্ড কোচ?
ভারতীয় সময় সোমবার ভোরে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচ খেলতে নামবে ইংল্যান্ড। তাঁর আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ইংল্যান্ডের কোচ টমাস তুচেল এবং মিডফিল্ডার জর্ডান হেন্ডারসন। তাঁরা দু’জনেই ভায়াগ্রা ব্যবহার করার এই দাবি উড়িয়ে দেন। ইংল্যান্ডের কোচ স্পষ্ট বলেন, ‘ভায়াগ্রা নিয়ে যে তথ্য বা গুজবের কথা বলা হচ্ছে, তা আমার কাছেই পৌঁছয়নি। তাই এসব দাবি একেবারেই সত্যি নয়।’ অর্থাৎ, ইংল্যান্ড শিবিরে এমন কোনও পরিকল্পনা নেই বলেই স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
হেন্ডারসনও মুখ খুলেছেন
একই সুর শোনা গিয়েছে ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার হেন্ডারসনের গলায়। তবে ভায়াগ্রা নিয়ে গুজব উড়িয়ে দিলেও উচ্চতার প্রভাব যে অনুভব করছেন, তা স্বীকার করেছেন তিনি। হেন্ডারসন বলেন, ‘ফ্লাইট থেকে নেমে হোটেলে যাওয়ার সময়ই উচ্চতার এই পরিবর্তনটা বুঝতে পেরেছিলাম। স্বাভাবিক হাঁটাচলা করলেও একটা প্রভাব বোঝা যাচ্ছে। অনুশীলনের প্রথম ১০-১৫ মিনিটেও সেই রেশ ছিল। তবে কিছুক্ষণ পরে এগুলো নিয়ে না ভেবে অনুশীলনে মন দিয়েছিলাম।’ তবে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে যে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে ইংল্যান্ডকে, সেটা অস্বীকার করার জায়গা নেই।
ভায়াগ্রা নিষিদ্ধ ড্রাগ নয়
ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির (WADA) নিষিদ্ধ ওষুধের তালিকায় এটি নেই। সেই কারণেই জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে উচ্চতার প্রভাব সামলাতে ইংল্যান্ডের প্লেয়াররা ভায়াগ্রা ব্যবহার করতে পারেন।