Advertisement

World Cup 2026 France vs England: সাকার হ্যাটট্রিক, এমবাপের জোড়া গোল; ৬-৪ ব্যবধানে ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় ইংল্যান্ড

ফ্লোরিডার মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে গোলের বন্যা। একের পর এক নাটক। সেমিফাইনালে যথাক্রমে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়া দুই ইউরোপিয়ান শক্তি এই ম্যাচে সান্ত্বনার খোঁজে মাঠে নেমেছিল।

ইংল্যান্ড দলইংল্যান্ড দল
Aajtak Bangla
  • মিয়ামি,
  • 19 Jul 2026,
  • अपडेटेड 4:57 AM IST
  • ১০ গোল এক ম্যাচে
  • জোড়া গোল করে মেসিকে টপকে গেলেন এমবাপে

ফ্লোরিডার মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে গোলের বন্যা। একের পর এক নাটক। সেমিফাইনালে যথাক্রমে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়া দুই ইউরোপিয়ান শক্তি এই ম্যাচে সান্ত্বনার খোঁজে মাঠে নেমেছিল।

প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের একক আধিপত্য
ম্যাচের শুরু থেকেই থমাস টুচেলের ইংল্যান্ড ফুটবল দল ফরাসি রক্ষণভাগের ওপর স্টিমরোলার চালায়। ম্যাচের মাত্র ৩ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে এক চোখধাঁধানো লং-রেঞ্জ শটে ইংল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন ডেকলান রাইস। ১৮ মিনিটে ডেকলান রাইসের চমৎকার কর্নার কিক থেকে হেডের সাহায্যে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন এজরি কোন্সা। 

প্রথমার্ধের খেলা শেষ হওয়ার আগেই ফরাসি ডিফেন্সের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ৩৭ এবং ৪৫+১ মিনিটে পর পর দুটি গোল করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলেন বুকায়ো সাকা। ফলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় থ্রি লায়ন্সরা।

দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্সের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ও এমবাপের রেকর্ড
বিরতির পর ৪ গোল হজম করা ফ্রান্সের ডাগআউটে বিদায়ী কোচ দিদিয়ের দেশঁ একযোগে চারটি পরিবর্তন আনেন। এর পরেই ম্যাচের চিত্রপট সম্পূর্ণ বদলে যায়। ৪৭ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপে গোল করে ফ্রান্সের হয়ে প্রথম ব্যবধান কমান। এই গোলের মাধ্যমে তিনি গোল্ডেন বুটের দৌড়ে লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে যান। ৫৩ মিনিটে তরুণ উইঙ্গার ব্রাদলে বারকোলা চমৎকার ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ৪-২ করে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। ৬৫ মিনিটে এমবাপে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ফ্রান্সকে ৪-৩ ব্যবধানে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন। এই গোলের মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার অনন্য কীর্তি গড়েন।

শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা ও ইংল্যান্ডের জয়
ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে ইংল্যান্ডের কোচ টুখেল তারকা মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যামকে মাঠে নামান। ৮৬ মিনিটে বক্সের ভেতর ফাউলের কারণে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বুকায়ো সাকা এবং ইংল্যান্ডকে ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে ফরাসিদের ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় জল ঢেলে দেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচের রোমাঞ্চ আরও বাড়ে। ইনজুরি টাইমের ৯০+৫ মিনিটে ফ্রান্সের উসমান ডেম্বেলে গোল করে স্কোরলাইন ৫-৪ করলে গ্যালারিতে টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে এর ঠিক দুই মিনিট পর (৯০+৭ মিনিটে) জুড বেলিংহ্যাম ঠান্ডা মাথায় গোল করে ইংল্যান্ডের পক্ষে ম্যাচের শেষ গোলটি করেন। শেষ পর্যন্ত রেফরির শেষ বাঁশিতে ৬-৪ গোলের এক ঐতিহাসিক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement