Advertisement

World Cup 2026: ক্রিকেটের স্নিকো বাঁচিয়ে দিল রোনাল্ডোর ভাগ্য, কীভাবে কাজ করে?

ক্রিকেটে স্নিকোর ব্যবহার দেখা যায় অনেকদিন ধরেই। তবে এবার ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ভাগ্য বদলাল এই প্রযুক্তির কারণে। অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ তা হওয়ার কথা বটে। আসলে এবারে ক্রিকেট থেকে শিক্ষা নিয়েছে ফিফা। বল ব্যাট, প্যাড বা গ্লাভসে লাগল কিনা সে ব্যাপারে অনেকাংশেই ঠিক রিপোর্ট দেয় স্নিকোমিটার। সেই প্রযুক্তিকেই কাজে লাগানো হচ্ছে ফুটবলে।

পর্তুগাল দল পর্তুগাল দল
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Jul 2026,
  • अपडेटेड 2:48 PM IST

ক্রিকেটে স্নিকোর ব্যবহার দেখা যায় অনেকদিন ধরেই। তবে এবার ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ভাগ্য বদলাল এই প্রযুক্তির কারণে। অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ তা হওয়ার কথা বটে। আসলে এবারে ক্রিকেট থেকে শিক্ষা নিয়েছে ফিফা। বল ব্যাট, প্যাড বা গ্লাভসে লাগল কিনা সে ব্যাপারে অনেকাংশেই ঠিক রিপোর্ট দেয় স্নিকোমিটার। সেই প্রযুক্তিকেই কাজে লাগানো হচ্ছে ফুটবলে।

পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ
এই স্নিকো প্রযুক্তি ইতিমধ্যে বিশ্বকাপের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলেছে। পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ: রাউন্ড অব ৩২ (Round of 32) এর এই নকআউট লড়াইয়ে অফসাইড বাতিলের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পেছনে স্নিকো প্রযুক্তি মূল প্রমাণ হিসেবে কাজ করেছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে রেফারি দেখতে পান, ক্রোয়েশিয়ার ফরোয়ার্ড ইগর মাতানোভিচ বাতাসে থাকা বলে সামান্য স্পর্শ করেছিলেন, যা এরপর পর্তুগালের সেন্টার-ব্যাক রেনাতো ভেইগার গা ছুঁয়ে সামনে যায়। মাতানোভিচ যখন বলে স্পর্শ করেন, তখন অফসাইড অবস্থানে ছিলেন পাসালিচ। আর এই কারণেই এরপরের পুরো আক্রমণটি অবৈধ বলে গণ্য হয়।

মাঠে ঝামেলা
সাধারণত অফসাইডের সিদ্ধান্তের জন্য মাঠের রেফারির স্ক্রিন দেখার প্রয়োজন হয় না, তবে এবার রেফারি এস্পেন এসকাসকে মনিটরে গিয়ে ঘটনাটি দেখার জন্য ডাকা হয়—যা বেশ অস্বাভাবিক ছিল। ভিডিও রিভিউ দেখার পর তিনি গোলটি বাতিল করে দেন, আর তাতেই পর্তুগালের শেষ ষোলোর টিকিট প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ক্রোয়েশিয়ার সমর্থকরা প্রতিবাদে মাঠের ভেতর পানির বোতল ছুঁড়তে শুরু করেন, যার ফলে খেলা পুনরায় শুরু হতে বেশ কিছুটা দেরি হয়

সুইডেন বনাম টিউনিসিয়া ম্যাচ
এর আগে সুইডেন বনাম টিউনিসিয়া ম্যাচে স্নিকো-স্টাইলের ভিএআর প্রযুক্তির সাহায্যেই মাঠের রেফারি সুইডেনের মাতিয়াস সভানবার্গের বিতর্কিত গোলটি বৈধ বলে ঘোষণা করেন। কারণ প্রযুক্তির মাধ্যমে আলেকজান্ডার ইসাকের সঙ্গে বলের টাচ প্রমাণিত হয়েছিল। 

বলের ভেতরে থাকা মাইক্রোচিপ ও কানেক্টেড বল প্রযুক্তির (Connected Ball Technology) মাধ্যমে খেলোয়াড়ের বুটের সাথে বলের সূক্ষ্ম স্পর্শ সনাক্ত করতে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। ভিএআর (VAR) পর্যালোচনার সময় নিখুঁত অফসাইড ও গোল নির্ধারণে এই প্রযুক্তি ভূমিকা রাখছে। ফলে রেফারিদের কাজটা অনেকটাই সহজ হচ্ছে। তবে অনেকেই এতে ক্ষুব্ধ। তাঁদের দাবি, এতে খেলার স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব খেলাতেও পড়ছে। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement