
হাইতির ডাকেন্স নাজন বিষবকাপে ইতিহাস গড়লেন। ২০১৬ তে কেরালা ব্লাস্টার্সে খেলেছেন। তিনি এখন হাইতির স্ট্রাইকার। ৩১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের হাত ধরেই ১৯৭৪ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে হাইতি। বর্তমানে নাজন হাইতির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। তিনি দেশের হয়ে ৭৬ ম্যাচে ৪৪টি গোল করেছেন। তবে নাজন ইন্ডিয়ান সুপার লিগে খুব ভাল পারফর্ম করতে পারেননি।
নাজন ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে কেরালা ব্লাস্টার্সে যোগ দিয়েছিলেন। তাদের হয়ে ১৩টি ম্যাচে ২টি গোল করেন। পরবর্তীতে তিনি ইংলিশ ক্লাব উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সে পাড়ি জমান। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ক্যারিয়ারে ১০১টি গোল করা নাজন এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়লেন। শুক্রবার মরক্কোর বিরুদ্ধে ম্যাচে ৬৬ মিনিটে মাঠে নামেন নাজন। ৪-২ গোলে হারা ম্যাচে একটা শট করেছেন। তবে তা তেকাঠির মধ্যে ছিল না। দেখেন হলুদ কার্ডও।
আলেহান্দ্রো দেল পিয়েরো থেকে ডিয়েগো ফোরলানের মতো বিশ্ব ফুটবলের কিংবদন্তিরা বিভিন্ন সময়ে আইএসএল-এর অংশ হয়েছেন। এবার সেই লিগেরই প্রাক্তন এক খেলোয়াড় ফুটবল বিশ্বের শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে নিজের ছাপ রাখলেন।
গ্রুপপর্বের ফলাফল
১. হাইতি ০-১ স্কটল্যান্ড – ১৪ জুন ২০২৬, বস্টনে প্রথম ম্যাচেই হারের তেতো স্বাদ পায় হাইতি।
২. ব্রাজিল ৩-০ হাইতি – ২০ জুন ফিলাডেলফিয়ায় কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিলের কাছে বড় হার। ম্যাথেউস কুনহার জোড়া গোল ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে প্রথমার্ধেই ৩-০। তবে প্রথমার্ধে হাইতি লড়াই করেছিল, ৩-০ স্কোরলাইন ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বোঝায় না।
৩. মরক্কো ৪-২ হাইতি – ২৫ জুন আটলান্টায় টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচ। হাইতি দু’বার এগিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা করতে পারেনি। লেনি জোসেফের গোলে ১০ মিনিটে এগিয়ে যায় হাইতি—এটি ছিল বিশ্বকাপে ৫২ বছরে হাইতির প্রথম গোল। উইলসন ইসিডর ৪৩ মিনিটে দুর্দান্ত শটে ২-১ করেন। কিন্তু হাকিমি, সাইবারি, রাহিমি ও ইয়াসিনের গোলে মরক্কো ৪-২ জিতে নকআউটে যায়।