দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার অরুণ লাল (Arun Lal)। ৬৬ বছর বয়সে এসে ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসেন বাংলা দলের প্রাক্তন কোচ। কীভাবে আলাপ হয়েছিল অরুণ লাল ও বুলবুল সাহার? বুলবুল জানান, 'এক বন্ধুর মাধ্যমে আমার সঙ্গে অরুণের আলাপ হয়। আমরা খুব ভাল বন্ধু।' মনোজ-অভিমন্যুদের কোচ হিসেবে আগেই নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছিন অরুণ লাল। দলকে নিয়ে গিয়েছেন রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে।
৩৭ বছর বয়সী বুলবুল সাহাকে (Bulbul Saha) বিয়ে করছেন অরুণ লাল। তাঁর বয়স ৬৬ বছর। বুলবুল, অরুণ লালের দীর্ঘদিনের বান্ধবী। কেক কেটে রেজিস্ট্রি সেরেছিলেন অরুণ লাল ও বুলবুল সাহা। উপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন অতিথিও। ঘরোয়া পরিবেশে হয় অনুষ্ঠান। লাল গোলাপের মালা বদল করে হয় রেজিস্ট্রি। বুলবুলের পরনে ছিল সাদা শাড়ি আর সাদা স্লিভলেস ব্লাউজ। অরুণ লাল পরেছিলেন সাদা পাঞ্জাবি আর ওভারকোট। পিয়ারলেস ইন-এ হয় সামাজিক বিয়ে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অনেক অতিথি। সিএবি-র কর্তারা ছাড়াও ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। পরিবারের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। বিয়ের পরেই বাংলা দলের দায়িত্ব ছাড়েন অরুণ লাল।
দিল্লির হয়ে প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে অভিষেক করা অরুণলাল পরে কলকাতায় চলে আসেন। বাংলার হয়ে খেলতে থাকেন। ১৯৮৯-৯০ মরশুমে রঞ্জি জয়ী বাংলা দলের (Cricket Association of Bengal) সদস্য ছিলেন তিনি। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে তাঁর করা ১৮৯ রানের ইনিংস মুগ্ধ করেছিল সকলকে। তবে এখানেই থেকে থাকেননি অরুণলাল। দিল্লির বিরুদ্ধে ফাইনাল ম্যাচেও ৫২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।
তবে বাংলার হয়ে খেলার আগেই ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন প্রাক্তন এই ওপেনার। ১৯৮২ সালে চেন্নাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্টে অভিষেক হয় অরুণ লালের। সেই ম্যাচে ৬৩ রান করেছিলেন অরুণ লাল। এরপর পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও সে দেশের মাটিতে ৫১ রান করেন তিনি। ভারতের হয়ে ১৬টি টেস্ট খেলেছেন অরুণ লাল। ৭২৯ রান রয়েছে তাঁর। গড় ২৬.০৪। সর্বোচ্চ রান ৯৩। ৬টা হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে অরুণ লালের।
তবে একদিনের ক্রিকেটে একেবারেই সফল হতে পারেননি তিনি। ১৩টি ম্যাচে মাত্র ১২২ রান রয়েছে তাঁর। তবে একটি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে তাঁর। ১৯৮২ সালেই ইংল্যন্ডের বিরুদ্ধে কটকে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক করেন অরুণ লাল। ২০০১ সালে ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) হয়ে খেলে ক্লাব ক্রিকেট থেকে অবসর নেন অরুণ লাল।