
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ (UEFA Champions League) থেকে বিদায় মেসি-এমবাপেদের (Lionel Messi)। বায়ার্ন মিউনিখের (Bayern Munich) বিরুদ্ধে জিততেই হত পিএসজি-কে (PSG)। অন্যদিকে ড্র করলেই কোয়ার্টার ফাইনালের রাস্তা পাকা করে ফেলতে পারত বায়ার্ন। সেখানে ২-০ গোলে মেসির দলকে হারিয়ে দিল জার্মান ক্লাব। দুই লেগ মিলিয়ে ব্যবধান ৩-০।
পরপর দুইবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোল থেকে বিদায় নিতে হল পিএসজিকে। এক মাস আগে প্রথম লেগের ম্যাচে পিএসজি-এর প্রাক্তন ফুটবলার কিংসলে কোম্যানের গোলে জয় পায় বায়ার্ন। এরপর অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় দ্বিতীয় লেগেও বায়ার্নের নায়ক পিএসজির আরেক প্রাক্তন ফুটবলার এরিক ম্যাক্সিম চুপোমোটিং। শেষ দিকে পিএসজি-র কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দেন সার্জ গিনাব্রি। ড্র করলেই কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যেতে পারত বায়ার্ন। এক গোলের ব্যবধান খুব নিরাপদ নয়, সেটা বুঝেই আক্রমণ শুরু করে জার্মান ক্লাব।
যদিও সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল মেসির দল। ২৪ মিনিটের মাথায় নুনো মেন্ডেজের বাড়ান বল থেকে গোল পেয়ে যেতে পারতেন মেসি। তবে তাঁর শট ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে প্রতিহত হয়। দ্বিতীয়বার শট নিলেও বাধা হয়ে দাঁড়ান গোলরক্ষক ইয়ান সোমার। হাত দিয়ে চেপে বল নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখেন সোমার। ৩১ মিনিটে সুযোগ পায় বায়ার্নও। জামাল মুসিয়ালার বাঁ দিক থেকে নেওয়া শট দারুণ ভাবে রুখে দেন দোনোরুমা।
প্রথমার্ধে গোল পায়নি কোনও দলই। ৬১ মিনিটে প্রথম গোল পায় বায়ার্ন। পিএসজির রক্ষণে ভেরাত্তির থেকে বল কেড়ে নেন টমাস মুলার। এরপর বল পান চুপো মুটিং। দেখে শুনে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে দেন বায়ার্নের এই স্ট্রাইকার।
প্রথম লেগের পর দ্বিতীয় লেগেও পিছিয়ে পড়ে আক্রমণ করতে শুরু করে দেয় পিএসজি। যদিও তা ছাড়া আর কোনও উপায়ও ছিল না মেসির দলের কাছে। আর সেটা করতে গিয়েই সমস্যায় পড়তে হয় তাদের। রক্ষণ কিছুটা আলগা হয়ে যায়। ৮৯ মিনিটে গিনাব্রির গোল পিএসজি-র সমস্ত আশায় জল ঢেলে দেয়। প্রথমার্ধে একাধিকবার এমবাপে ও মেসি গোল করার সুযোগ তৈরি করলেও গোল আসেনি। দ্বিতীয়ার্ধে সুযোগও তৈরি করতে পারেনি তারা।