Advertisement

Leander Paes: রিয়াকে মাসে দেড় লক্ষ খোরপোষ, লিয়েন্ডারকে নির্দেশ আদালতের

রিয়া যদি সেই বাড়ি না ছাড়েন তবে টাকা পাবেন না। আদালত বলেছে, লিয়েন্ডারের টেনিস কেরিয়ার প্রায় শেষ। এমন সময় রিয়াকে খোরপোষ দিতে বলাটা গুরুতর পক্ষপাতিত্ব হবে।

লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে রিয়ালিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে রিয়া
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 Feb 2022,
  • अपडेटेड 8:44 PM IST
  • গার্হস্থ্য হিংসার ঘটনায় দোষী লিয়েন্ডার
  • বড় শাস্তির মুখে তারকা

গার্হস্থ্য হিংসা ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হলেন ভারতের টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes)। তাঁর বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির ঘোষণা করেছে আদালত। ২০১৪ সালে গার্হস্থ্য হিংসা মামলা দায়ের করেছিলেন তাঁর প্রাক্তন সঙ্গিনী রিয়া পিল্লাই (Rhea Pillai)। লিয়েন্ডার এর সঙ্গে যে বাড়িতে রিয়া থাকতেন তিনি চাইলে সেই বাড়িতেই থাকতে পারেন। সে ক্ষেত্রে লিয়েন্ডারকে কোনও খরচ দিতে হবে না। তবে রিয়া সেই বাড়িতে থাকতে না চাইলে বাড়ি ভাড়া বাবদ ৫০০০০ টাকা এবং বাড়ি দেখভালের জন্য এক লক্ষ টাকা দিতে হবে লিয়েন্ডারকে। 

তবে রিয়া যদি সেই বাড়ি না ছাড়েন তবে টাকা পাবেন না। আদালত বলেছে, লিয়েন্ডারের টেনিস কেরিয়ার প্রায় শেষ। এমন সময় রিয়াকে খোরপোষ দিতে বলাটা গুরুতর পক্ষপাতিত্ব হবে।

তবে লিয়েন্ডারকে আরোও এক লক্ষ টাকা দিতে হবে রিয়ার আইনি খরচ বাবদ। লিয়েন্ডার এবং বিয়ার এক সন্তান রয়েছে। তার নাম আয়না। তার পড়াশুনা, দেখভালের খরচ দিতে হবে ভারতের টেনিস লেজেন্ডকেই। ২০০৩ সাল থেকে দুই জন সম্পর্কে ছিলেন বলে দাবি করেছেন রিয়া। তিন বছর সেই সম্পর্ক টিকে ছিল। ২০০৬ সালে জন্ম হয় তাদের মেয়ে আয়নার। ২০১৪ সালে লিয়েন্ডারের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার মামলা করেন রিয়া। সাত বছরেরও বেশি সময় এই মামলা চলার পর অবশেষে রায় দিল আদালত। ২০০৬ সালে বান্দ্রায় লিয়েন্ডারের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন তার বাবা ভেজ পেজ। সেই সময় থেকেই রিয়ার সঙ্গে লিয়েন্ডারের সম্পর্কের অবনতি হয়। 

আরও পড়ুন

তবে রিয়ার আবেদন ছিল যে বাড়িতে তাঁরা দুইজন থাকতেন তা ভাগ করে দেওয়া হোক। যদিও তা মানেনি আদালত। ১৬ বছর ধরে আয়নাকে দেখভালের খরচ চেয়েছিলেন রিয়া। সেই আবেদনও নাকচ করেছে আদালত। সব মিলিয়ে বলা যায় বিরাট ধাক্কা কেলেন ভারতের টেনিস তারকা। কিছুদিন ধরেই অভিনেত্রী কিম শর্মার সঙ্গে ডেট করতে দেখা যাচ্ছে লিয়েন্ডারকে। একসঙ্গে গোয়া ঘুরতেও গিয়েছিলেন তাঁরা।  

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement