
৮ বছর আগে যে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধেই এবার ৪-২ গোলে দুর্ধর্ষ জয় নিয়ে সফর শুরু করল ইংল্যান্ড। যাঁর দিকে ছিল নজর, সেই হ্যারি কেন জ্বলে উঠলেন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে মরসুমটা ভাল গিয়েছে তাঁর। দেশের জার্সিতেও নিজেকে প্রমাণ করলেন প্রথম ম্যাচেই। ২টি গোল এল তাঁর পা থেকে। পাশাপাশি আরও ২টি গোল করলেন যথাক্রমে বেলিংহ্যাম এবং মার্কাস রাশফোর্ড।
ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়ার হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ প্রথম থেকেই জমে উঠেছিল। ৪টি গোল হয় প্রথমার্ধেই। সমতা ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা দেখা যায় ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে। তবে ইংল্যান্ডের আগ্রাসী মেজাজের কাছে টিকতে পারেনি লুকা মদ্রিচরা।
প্রথমার্ধের ৮ মিনিটের মাথায় লুকা মদ্রিচ বক্সে ফাউল করেন নোনি মাদুয়েকেকে। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। হ্যারি কেন পেনাল্টি কিক নেন তবে তা আটকে দেন ক্রোয়েশিয়ার গোলকিপার ডোমিনিকন লিভাকোভিচ। যদিও সেই পেনাল্টি শট বাতিল হয়ে যায় গোলকিপাল গোললাইনের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকায়। আবার শট নেন মদ্রিচ, যা আর নিশানা ভুল করেনি।
আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণের এই ম্যাচে দুরন্ত শটে গোল করেন ক্রোয়েশিয়ার মার্তিন বাতুরিনা। ঠিক তার ৫ মিনিটের মধ্যেই দ্বিতীয় গোলটি করেন হ্যারি কেন। কর্নার থেকে হেডে বল জালে জড়ান ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে ১০টি গোল করে ফেললেন তিনি। যদিও সমতা ফেরাতে সময় নেয়নি ক্রোয়েশিয়া। ৪ মিনিটের মাথায় ইভান পেরিসিচের পাস থেকে গোল করেন পেতার মুসা।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ঝাঁজ আরও বাড়ায় ইংল্যান্ড। বিরতির দু’মিনিট পরে গোল করেন বেলিংহ্যাম। একইসঙ্গে বেঞ্চ থেকে নেমেই গোল করেন রাশফোর্ড।
কিন্তু হ্যারি কেন সফল হলেও এই ম্যাচে লুকা মদ্রিচ ছিলেন নিষ্প্রভ। ৪০ বছরের এই ফুটবলার সেভাবে দাগ কাটতে পারেনি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে।