
জঘন্য ফুটবল খেলে স্পেনের কাছে হেরেছে আর্জেন্টিনা। খেতাব ধরে রাখতে না পেরেও অবশ্য রানার্স আপ এই টিম কোটি কোটি টাকা পুরস্কার পেল। না এসেছে গোল্ডেন গ্লাভস, না বুট, না বল। অথচ প্রাইজমানি চোখ কপালে তুলছে ফুটবলপ্রেমীদের।
রানার্স আপ দল হিসেবে ৩৩ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৩১৮ কোটি টাকা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ার পর ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর মুহূর্তে ফেরান তোরেস এক দুর্দান্ত গোল করে স্পেনের জয় নিশ্চিত করেন। সেই সঙ্গেই ৫ কোটি মার্কিন ডলারের পুরস্কার অর্জন করেছে। এর ভারতীয় মুদ্রায় মূল্য ৪৮১ কোটি টাকা। কোনও বিশ্বকাপ জয়ী দলকে দেওয়া এটিই এযাবৎকালের সর্বোচ্চ পুরস্কারের অর্থ।
তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান দখল করেছে যথাক্রমে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স। তারা কে কত প্রাইজমানি পেল?
কোন দল কত প্রাইজমানি পেল?
> চ্যাম্পিয়ন: ৫০ মিলিয়ন ডলার (৪৭৮ কোটি টাকা)
> রানার্সআপ: ৩৩ মিলিয়ন ডলার (৩১৫ কোটি টাকা)
> তৃতীয় স্থান: ২৯ মিলিয়ন ডলার
> চতুর্থ স্থান: ২৭ মিলিয়ন ডলার
> কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায়: ১৯ মিলিয়ন ডলার
> রাউন্ড অব ১৬ থেকে বিদায়: ১৫ মিলিয়ন ডলার
> রাউন্ড অব ৩২ থেকে বিদায়: ১১ মিলিয়ন ডলার
> গ্রুপ পর্বেই বিদায়: ৯ মিলিয়ন ডলার।
প্রস্তুতি ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ১.৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮ দলই কমপক্ষে ১০.৫ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে।
বিশ্বকাপের ট্রফি বা মেডেলের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে আকর্ষণীয় আংটি। বিশ্বকাপজয়ী স্পেন ট্রফি ও স্বর্ণপদকের পাশাপাশি পেয়েছে ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’। যার বাজারদর ১২ হাজার ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রার প্রায় ১২ লক্ষের কাছাকাছি। ২০২৬ বিশ্বকাপের এই বছরটিকে স্মরণীয় করে রাখতে মোট ২ হাজার ২৬টি বিশেষ আংটি তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৩০টি রিং বরাদ্দ হয়েছে চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফদের জন্য। বাকি ১ হাজার ৯৯৬টি আংটি বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিক্রি করা হবে।