Advertisement

IPL 2026: ফের বাংলাদেশে IPL-এর সম্প্রচার বন্ধ, এবারে টাকার অভাব

জানুয়ারি মাসে আইপিএল বয়কট করার ডাক দিয়েছিল বাংলাদেশ। জানানো হয়েছিল, সেদেশে দেখানো হবে না এই লিগ। তবে সরকার বদল হওয়ার পর সেই সিদ্ধান্ত বদল হয়। জানানো হয় আইপিএল দেখা যাবে বাংলাদেশে। তবে এই টুর্নামেন্ট শুরুর দুই দিনের মধ্যেই বাংলাদেশের সম্প্রচারকারী সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল জিও হটস্টার।

আইপিএল দেখা যাবে না বাংলাদেশেআইপিএল দেখা যাবে না বাংলাদেশে
Aajtak Bangla
  • ঢাকা,
  • 30 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:11 PM IST

জানুয়ারি মাসে আইপিএল বয়কট করার ডাক দিয়েছিল বাংলাদেশ। জানানো হয়েছিল, সেদেশে দেখানো হবে না এই লিগ। তবে সরকার বদল হওয়ার পর সেই সিদ্ধান্ত বদল হয়। জানানো হয় আইপিএল দেখা যাবে বাংলাদেশে। তবে এই টুর্নামেন্ট শুরুর দুই দিনের মধ্যেই বাংলাদেশের সম্প্রচারকারী সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল জিও হটস্টার। 

কেন দেখা যাবে না আইপিএল?
সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, নথি অনুযায়ী, জিওহটস্টার, স্থানীয় পার্টনারদের থেকে প্রাপ্য টাকা পায়নি। আর সে কারণেই বাংলাদেশে, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (IPL) সম্প্রচার চুক্তি বাতিল হয়েছে।

কী কারণে উত্তেজনা দুই বোর্ডের মধ্যে?
জানুয়ারিতে বাংলাদেশে এক হিন্দু ব্যক্তিকে হত্যার জেরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার ঠিক পরেই, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দিলে বাংলাদেশও আইপিএল সম্প্রচার নিষিদ্ধ করে।

টাকা দেয়নি টি স্পোর্টস
২০২৩ থেকে ২০২৭ অবধি চুক্তি ছিল বাংলাদেশের টি স্পোর্টসের সঙ্গে। তবে চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি চিঠি পাঠায় জিও হটস্টার। সেখানেই বলা হয়েছিল চুক্তি ভঙ্গের কথা। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত অর্থ শোধ করার সময়সীমা মেনে চলতে ক্রমাগত ব্যর্থতা ও খেলাপ' করার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে শুধু আইপিএল নয়, WPL-ও এই চুক্তির মধ্যে পড়ে। ফলে মেয়েদের প্রিমিয়ার লিগও দেখা যাবে না। 

সমালোচনা গোটা ক্রিকেটবিশ্বে

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে, বিশেষ করে ক্রিকেটীয় সম্পর্ককে কেন্দ্র করে, সাম্প্রতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আইপিএল সম্প্রচার চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পেছনে রাজনৈতিক কারণের চেয়ে বাণিজ্যিক বিষয়ই প্রধানত দায়ী বলে মনে হচ্ছে।

দুই ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সম্পর্ক দিনে দিনে খারাপ হয়ে যায়, যার চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেয়। এই সিদ্ধান্তের জেরে ক্রিকেট মহলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই যুক্তি দেন যে এটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের ক্ষতি করেছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement