
আইপিএল-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যেতে হল রবীন্দ্র জাদেজাকে। ৩৭ বছর বয়সী অলরাউন্ডার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে প্লে-অফে ইমপ্যাক্ট সাব হিসেবে ফেরার পর থেকেই হাঁটু ও কনুইয়ের ব্যথা নিয়ে সমস্যায় ছিলেন। ম্যাচ চলাকালীন কমেন্ট্রিতে হর্ষ ভোগলে নিশ্চিত করেন, জাদেজা টেনিস এলবো নিয়ে খেলছেন এবং ব্যথা আরও বেড়েছে। তবে তিনি ফের ৫ উইকেট পড়ার পর ফেরত আসেন।
টস জিতে রিয়ান পরাগ প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। রাজস্থান শুরুতে যশস্বী জয়সওয়ালকে হারালেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায়। পিচ ছিল পরিষ্কার আকাশের নিচে ব্যাটিং-বান্ধব পিচে ফাইনালের টিকিটের আশায় উত্তেজিত দুই দলই।
ইনিংসের মাঝপথে রাজস্থান ১১ ওভারে ১০৯/৩ তোলে, যেখানে তরুণ বৈভব সূর্যবংশী বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন। তার সঙ্গে জাদেজা দায়িত্ব নেন, ১৯ বলে ৩৪ রান করে স্ট্রাইক রোটেট ও বাউন্ডারি মিশিয়ে রান রেট বাড়ান। কিন্তু এরপরই ডান কনুইয়ে তীব্র ব্যথা অনুভব করে তিনি রিটায়ার্ড হার্ট হন। তখন স্কোরবোর্ডে রাজস্থান ১২৬/৫, ১৩.১ ওভারে রান রেট ৯.৫৭, ম্যাচ তখনও প্রথম ইনিংসে চলছিল।
টেনিস এলবো বা ল্যাটারাল এপিকন্ডাইলাইটিস জাদেজার মতো বাঁহাতি স্পিনার-ব্যাটারের জন্য বিশেষ সমস্যার, কারণ এটি গ্রিপ, কাট শট ও ফিল্ডিং থ্রোতে সরাসরি প্রভাব ফেলে। সাঙ্গাকারার পরিকল্পনা ছিল তাকে সীমিত ওভার বোলিং ও লোয়ার মিডল অর্ডারে ব্যবহার করা, কিন্তু আজকের রিটায়ার্ড হার্ট সেই পরিকল্পনাকে ধাক্কা দিল। গুজরাতের পক্ষে জেসন হোল্ডার মাঝের ওভারে টাইট লাইন রাখেন, রশিদ খান ও কাগিসো রাবাদা ডেথ ওভারের জন্য তৈরি ছিলেন।
এই ম্যাচের বিজয়ী ৩১ মে ফাইনালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর মুখোমুখি হবে, তাই রাজস্থানের জন্য জাদেজার ফিটনেস এখন কৌশলগত প্রশ্ন। বৈভবের ফর্ম ও জোফ্রা আর্চারের প্রমোশন কিছুটা আশা জাগালেও, অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ছাড়া বড় মঞ্চে ভারসাম্য রাখা কঠিন হবে। রাজস্থান শিবির এখন স্ক্যান রিপোর্টের অপেক্ষায়, আর জাদেজা নিজে মাঠ ছাড়ার সময় কনুই চেপে ধরে হাঁটছিলেন, যা দর্শকদের মনে দুশ্চিন্তা বেড়েছে।