
পয়েন্টের বিচারে দুই দলের পার্থক্য নেই। তবে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থেকে শীর্ষে ইস্টবেঙ্গল। শেষ ম্যাচ জিততেই হবে দুই দলকে। প্রথম থেকেই সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল দুই দলকে।
গোল শোধ কামিন্সের
কর্নার কাজে লাগাল মোহনবাগান। পেত্রাতোসের কর্নার প্রথম পোস্টে যাচ্ছিল। ব্যাক হেড করে বল জালে জড়ালেন জেসন কামিন্স।
গোল এডমুন্ডের
প্রভসুখনের লম্বা বল ইউসেফের উদ্দেশে নামিয়েছিলেন এডমুন্ড। ইউসেফ পাস দেন মিগুয়েলকে। সেখান থেকে মিগুয়েল সামনে বল বাড়িয়ে দেন এডমুন্ডের উদ্দেশে। এডমুন্ড চলতি বলেই শট মেরে গোল করলেন। কর্নার ফ্ল্যাগের কাছে গিয়ে উল্লাসে মাতলেন ইস্টবেঙ্গলের ফুটলারেরা।
আক্রমণের ঢেউ ইস্টবেঙ্গলের
এজ্জেজারি ও এডমুন্ডকে নামানর পরেই একের পর এক আক্রমণ করে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। গোল এখনও হয়নি। ম্যাচ পৌঁছে গিয়েছে ৭০ মিনিটে।
গোল পেলেন না লিস্টন
লিস্টনের ফ্রিকিক বাইরে চলে যায়। যদিও সেই শটে জোর ছিল, দক্ষতার ছাপ ছিল। কিন্তু অল্পের জন্য তা বাইরে চলে যায়।
ফাঁকা গোলে বল মারতে পারলেন না বিপিন
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই শুভাশিস বসুর ভুলে বক্সের মধ্যে বল পেয়েছিলেন বিপিন সিং। সামনে গোলরক্ষক বিশাল ছাড়া কেউ ছিল না। বিপিনের শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়। এখনও গোলশূন্য খেলা।
৩৬ মিনিটে লিস্টনের শট বাইরে
মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েন সবুজ-মেরুন উইঙ্গার। পথে কাটিয়ে নেন বেশ কয়েকজন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারকে। তাঁর শট অনেকটাই বাইরে দিয়ে চলে যায়।
২৪ মিনিটে অনিরুদ্ধের শট
অল্পের জন্য সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না অনিরুদ্ধ থাপা। তাঁর শট বাইরে চলে গেল।
মিস বিপিনের
আবার মিস করলেন বিপিন। এটা যদিও অতটা সহজ সুযোগ ছিল না তবে বিপিন সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন তাঁর শট অনেকটা বাইরে দিয়ে চলে যায়।
সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট
যে সুযোগটি নষ্ট করলেন বিপিন তা সহজে ভুলতে পারবেন না। জিকসনের থ্রু বল পেয়েছিলেন। সামনে স্রেফ একা গোলকিপার ছিলেন। বেশি সময় নিয়ে এবং বেশি কাটাতে গিয়ে গোলে শটই নিতে পারলেন না। খুবই খারাপ প্রয়াস।
এবার মিস ইস্টবেঙ্গলের
মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে নিয়ে আক্রমণ শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গল। বক্সের বাইরে থেকে মারা সোজবার্গের শট লাগল পোস্টে। হালকা ছোঁয়া লেগেছিল অলড্রেডের।
সুযোগ নষ্ট করলেন মনবীর
লাল-হলুদের থেকে বল কেড়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন মনবীর। পাস দিয়েছিলেন মনবীরকে। মনবীর শট মারার আগেই ইস্টবেঙ্গলের এক ফুটবলার বল ক্লিয়ার করে দিলেন।