Advertisement

Messi Bomb Threat: বিশ্বকাপে মেসির উপর হামলার ছক, মাঠে ঢুকে পড়েছিল সুইসাইড বম্বার?

মেসির প্রাণনাশের হুমকি ছিল FIFA বিশ্বকাপের সময়ে? তাঁকে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার একের পর এক হুমকি এসেছিল। এমনকী সুইসাইড বম্বার ঢুকে পড়েছিল স্টেডিয়ামের ভিতরও? চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে।

মেসির উপর হামলার ছক! মেসির উপর হামলার ছক!
Aajtak Bangla
  • স্পেন ,
  • 08 Aug 2026,
  • अपडेटेड 12:29 PM IST
  • মেসির প্রাণনাশের হুমকি ছিল FIFA বিশ্বকাপে
  • বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার একের পর এক হুমকি
  • সুইসাইড বম্বার ঢুকে পড়েছিল স্টেডিয়ামের ভিতর

মেসির প্রাণনাশের হুমকি ছিল FIFA বিশ্বকাপের সময়ে? চাঞ্চল্যকর একটি তথ্য সামনে এসেছে আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকাকে নিয়ে। এক পুলিশ রিপোর্টে মেসিকে উপর হামলার পরিকল্পনা ফাঁস করেছেন। বিশ্বকাপ চলাকালীন অন্যান্য ফুটবলার, আধিকারিক এবং রেফারিদের বিরুদ্ধেও হুমকির তথ্য ওই নিরাপত্তা রিপোর্টে পাওয়া গিয়েছে। 

স্পেনের সংবাদমাধ্যম Informacion.es-এর একটি প্রতিবেদনের দাবি, বিশ্বকাপ চলাকালীন সন্ত্রাসবাদী হামলার সতর্কতা জারি করা ছিল। হিংসাত্মক ঘটনা এবং সন্দেহজনক গতিবিধির উপর নজর রাখতে আমেরিকা এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলির নিরাপত্তা সংস্থাগুলি FBI-এর নেতৃত্বে একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করেছিল। মেসির বিরুদ্ধেই সবচেয়ে বেশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

ডালাসে মেসিকে হামলার হুমকি
সবচেয়ে গুরুতর ঘটনাগুলির একটি ঘটে ডালাসে। যেখানে আর্জেন্টিনা জর্ডনের বিরুদ্ধে খেলেছিল। অভিযোগ, এক ব্যক্তি ডালাস বিমানবন্দরে ফোন করে দাবি করেন, তিনি আরও দু’জনের সঙ্গে স্টেডিয়ামের দিকে যাচ্ছেন এবং তাঁদের কাছে ‘ঘরে তৈরি বোমা’ ও একটি ‘AR-15’ রয়েছে।

ওই হুমকি পুলিশ আধিকারিক এবং দুই দলের খেলোয়াড়দের লক্ষ্য করে দেওয়া হয়েছিল। মেসির নামও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

এর আগে আর্জেন্টিনা আটলান্টায় মিশরের বিরুদ্ধে খেলতে নামার সময়ও মেসিকে ঘিরে আরও একটি গুরুতর হুমকি নথিভুক্ত হয়। অভিযোগ, X-এর এক ব্যবহারকারী হুমকি দিয়ে জানিয়েছিলেন, তিনি স্টেডিয়ামে ঢুকে মেসির উপর বিস্ফোরক দিয়ে হামলা করবেন।

মেসির বিরুদ্ধে কী কী হামলার ছক?
পুলিশি রিপোর্ট অনুযায়ী, মেসিকে ঘিরে হুমকিগুলি শুধুমাত্র অনলাইন গালিগালাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। ডালাসের ঘটনায় ফোন করা ব্যক্তি দাবি করেছিলেন, তিনি আরও দু’জনের সঙ্গে ঘরে তৈরি বিস্ফোরক এবং একটি AR-15 নিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে যাচ্ছেন। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে মেসির নামও বিশেষভাবে লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

আর্জেন্টিনা ও মিশরের আটলান্টা ম্যাচের আগে আরও একটি হুমকি আসে। অভিযোগ, X-এর এক ব্যবহারকারী লিখেছিলেন যে তিনি স্টেডিয়ামে ঢুকতে চলেছেন এবং তাঁর শরীরে চারটি বোমা বাঁধা রয়েছে। মেসিকে হামলার লক্ষ্য করা হবে বলেও ওই হুমকিতে দাবি করা হয়েছিল।

Advertisement

এরপর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়। আটলান্টার ম্যাচ চলাকালীন পুলিশ আরও একটি ফোন পায়। ফোনে দাবি করা হয়, স্টেডিয়ামের ভিতরে আলাদা আলাদা তিনটি বিনে বোমা রাখা হয়েছে। এরপর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ, প্রশিক্ষিত কুকুর এবং K-9 দলকে স্টেডিয়ামে তল্লাশির জন্য মোতায়েন করা হয়।

বিশ্বকাপের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এই রিপোর্টগুলি তৈরি করা হয়েছিল। পুরো ব্যবস্থার সমন্বয়ে ছিল FBI এবং Centre for International Police Cooperation। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা সংস্থা ও পুলিশ বাহিনীও এই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিল।

বিশ্বকাপের অন্যতম বড় আকর্ষণ মেসি হওয়ায় তাঁকে ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ উদ্বেগ ছিল। খেলোয়াড়, তাঁদের পরিবার এবং বিশ্বকাপের বিভিন্ন ভেন্যুকে ঘিরে আসা হুমকির উপরও নজর রাখছিলেন আধিকারিকরা।

নিশানায় ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও
মেসিই একমাত্র বিশ্বখ্যাত ফুটবলার ছিলেন না, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকেও বিশ্বকাপ চলাকালীন বারবার হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছিল বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

পুলিশ রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ জুন FIFA-র এক কর্মী সতর্কতা জারি করেন। তিনি পর্তুগালের অধিনায়ক রোনাল্ডোর থাকার জায়গা সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা করা এক সন্দেহজনক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেছিলেন।

এরপর হিউস্টন পুলিশ ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে। ১৬ জুন রোনাল্ডো পর্তুগাল দলের সঙ্গে যে হোটেলে ছিলেন, সেখান থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।

৬ হাজারের বেশি WhatsApp হুমকি রেফারিকে
 হুমকির হাত থেকে রেহাই পাননি ম্যাচ রেফারিরাও। ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরকে ৬ হাজারেরও বেশি WhatsApp হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় ম্যাচগুলিকে ঘিরে যে মাত্রায় হেনস্থা ও হুমকি তৈরি এসেছিল, এই ঘটনা তারই একটি উদাহরণ।

নিরাপত্তা বিষয়ক ওই রিপোর্ট ২০২৬ বিশ্বকাপকে ঘিরে একটি উদ্বেগজনক ছবি তুলে ধরেছে। ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকাদের ঘিরে বিপুল আগ্রহ যেমন বিশ্বকাপের আকর্ষণ বাড়িয়েছে, তেমনই তাঁদের ঘিরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন ঝুঁকির উপর পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই আধিকারিকদের কড়া নজর রাখতে হয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement