
প্রখ্যাত গায়ক কে কে (KK) মঙ্গলবার কলকাতায় মারা গেছেন। কে কে একটি লাইভ কনসার্টে গিয়েছিলেন, যেখানে কনসার্টের পরে হঠাৎ তার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। দ্রুত তাঁকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। কেকে-র অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া গোটা বলিউডে। ভক্তরা তাঁকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
ক্রিকেটের সঙ্গে কেকে-র গভীর সম্পর্ক রয়েছে
ক্রিকেটের সঙ্গেও কেকে-র গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আসলে 'জোশ অফ ইন্ডিয়া' এই গানটি ১৯৯৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের সময় প্রচুর বাজান হয়েছিল। আজহার, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, রাহুল দ্রাবিড় সবাইকে এই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে। এই গানে কণ্ঠ দেওয়ার জন্য গায়কের অভাব ছিল না। তবে একটি আবেগী কণ্ঠ দরকার ছিল। এই আবেগী কন্ঠ কেকে দিয়েছিলেন। এটাই ছিল ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে ভারতের অফিসিয়াল গান।
দিল্লিতে জন্মগ্রহণকারী কৃষ্ণ কুমার কুন্নাত (কেকে) ১৯৯৯ বিশ্বকাপের সময় তাঁর কেরিয়ারে লড়াই করছিলেন। সুপারস্টার গায়ক কুমার সানু, উদিত নারায়ণ, অভিজিৎ, সুখবিন্দর সিং-এর মতো তারকাদের মধ্যে নিজের জায়গা তৈরি করা কে কে-এর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে ধীরে ধীরে অন্যান্য ভাষার বিজ্ঞাপন, সিরিয়াল ও চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে নিজের আলাদা একটা স্টাইল তৈরি করেন।
তিনি বলিউডের এভার গ্রিন 'তড়াপ-তড়াপ কার… (হাম দিল দে চুকে সনম)' গান গেয়ে দারুণ সফল হয়েছিলেন। কিন্তু সহজে এসব ঘটেনি। এর পেছনে ছিল তাঁর আবেগ ও উদ্দীপনা। সম্ভবত এই কারণেই বিশ্বকাপের 'জোশ অফ ইন্ডিয়া' গানে কণ্ঠ দেওয়ার সুযোগ পান তিনি।
ভারতের হতাশাজনক পারফরম্যান্স ছিল
ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে, মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নেতৃত্বে টিম ইন্ডিয়ার পারফরম্যান্স হতাশাজনক ছিল এবং তারা সুপার-৬ পর্বের পর আর এগোতে পারেনি। তবে সুপার সিক্সের রোমাঞ্চকর ম্যাচে পাকিস্তানকে ৪৭ রানে হারিয়েছিল ভারতীয় দল। এছাড়াও ১৯৯৯ বিশ্বকাপে আরও একটি স্মরণীয় ঘটনা হল, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং রাহুল দ্রাবিড়ের মধ্যে ৩১৮ রানের পার্টনারশিপ।
অস্ট্রেলিয়া দল ১৯৯৯-এর বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। লর্ডসে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্টিভ ওয়ার নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়ান দল পাকিস্তানকে আট উইকেটে পরাজিত করে। 'দ্য ওয়াল' নামে পরিচিত রাহুল দ্রাবিড় সেই বিশ্বকাপে ৪৬১ রান করেছিলেন।