
World Cup 2026 Semifinal Spain Vs France: ফুটবল দুনিয়ার নজর এখন আমেরিকার ডালাস স্টেডিয়ামের দিকে, কারণ এখানেই ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি দুই ইউরোপীয় মহাশক্তি ফ্রান্স এবং স্পেন। এই ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল মহলে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে, কারণ একদিকে রয়েছেন ফরাসি মহাতারকা কিলিয়ান এমবাপে এবং অন্যদিকে স্পেনের তরুণ তুর্কি লামিন যামাল, দুই দলই চলতি টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত একটি ম্যাচেও পিছিয়ে পড়েনি। ফরাসি শিবিরের জন্য স্বস্তির খবর হলো গোড়ালির সামান্য চোট কাটিয়ে অধিনায়ক এমবাপে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নেমেছে। ফরাসি ফরোয়ার্ডের সামনে আজ এক অনন্য রেকর্ডের হাতছানি রয়েছে, তিনি আর মাত্র একটি গোল করলেই বিশ্বকাপের মঞ্চে লিওনেল মেসির সর্বকালীন একুশটি গোলের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন। বর্তমানে মাত্র সাতাশ বছর বয়সেই এমবাপের নামের পাশে বিশ্বকাপে কুড়িটি গোল রয়েছে। যা তাকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলারদের তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে।
অন্যদিক থেকে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে তার চেনা ছকেই ভরসা রাখছেন, কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে হারানো বিজয়ী দলটিকে তিনি অপরিবর্তিত রেখেছেন। স্প্যানিশ শিবিরের মূল শক্তি তাদের রক্ষণভাগ যা এই বিশ্বকাপে মাত্র একটি গোল খেয়েছে, তবে স্পেনের আক্রমণভাগের অন্যতম সেরা অস্ত্র লামিন ইয়ামাল ফরাসিদের কড়া বার্তা দিয়ে রেখেছেন। গত সোমবারই উনিশ বছরে পা দেওয়া এই তরুণ উইঙ্গার জানিয়েছেন যে ফ্রান্সের যদি কাউকে ভয় পেতে হয় তবে তা স্পেনকে পাওয়া উচিত। কারণ এর আগে ইউরো কাপের সেমিফাইনালে এই স্পেনই ফ্রান্সকে বিদায় করেছিল। ইয়ামাল ও এমবাপের ক্যারিয়ারে এটি এগারোতম সাক্ষাৎ হতে চলেছে, যার মধ্যে ইয়ামাল আটবার এমবাপের বিরুদ্ধে জয়ী হয়েছেন। তবে গোলের দিক থেকে এমবাপে এগিয়ে আছেন নয়টি গোল করে। আর ইয়ামাল করেছেন ছয়টি গোল।
আজকের এই মেগা ম্যাচের বিজয়ী দল আগামী রবিবার বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা অথবা ইংল্যান্ডের, ফুটবল পণ্ডিতদের গণনা অনুযায়ী ফ্রান্সের জেতার সম্ভাবনা বিয়াল্লিশ দশমিক এক শতাংশ এবং স্পেনের সম্ভাবনা একত্রিশ দশমিক আট শতাংশ, ডেল্লাসের মাঠে আজকের এই লড়াই যে এক ঐতিহাসিক ফুটবল যুদ্ধ হতে চলেছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
৯৫' | ফ্রান্স ০-২ স্পেন লাইভ: দেম্বেলের শট রুখে দিলেন সিমোন
অবশেষে ফ্রান্সের আক্রমণ উনাই সিমোনকে পরীক্ষা নেওয়ার মতো জায়গায় পৌঁছাল। বক্সের ভেতর থেকে ওসমানে দেম্বেলে একটি জোরালো শট নেন, কিন্তু স্পেনের গোলরক্ষক দারুণ দক্ষতায় তা হাত দিয়ে ফিরিয়ে দেন। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সময় যখন একদম ঘনিয়ে এসেছে, তখন লা রোহাদের দুই গোলের ব্যবধান ধরেন। ফাইনালে পৌঁছে গেল স্পেন।
৯০+১' | ফ্রান্স ০-২ স্পেন লাইভ: ফ্রান্সের মরিয়া আক্রমণের মুখে কুকুরেয়ার অনবদ্য রক্ষণ
ম্যাচে অতিরিক্ত আরও সাত মিনিট সময় যোগ করা হয়েছে, যা ফ্রান্সের সামনে তাদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার শেষ সুযোগ। রায়ান চেরকি অবশেষে জ্বলে উঠে কিলিয়ান এমবাপের উদ্দেশ্যে একটি চতুর পাস বাড়ান, কিন্তু মার্ক কুকুরেয়া দারুণ বুদ্ধিমত্তার সাথে বিপদের আভাস পেয়ে বলটি ক্লিয়ার করে দেন। স্পেনের এই লেফট-ব্যাক পুরো সেমিফাইনাল জুড়ে এক কথায় অসাধারণ পারফর্ম করেছেন।
৮৯' | ফ্রান্স ০-২ স্পেন লাইভ: পেনাল্টির আবেদন নাকচ, অক্ষত রইল ফ্রান্স
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ফ্রান্সের পেনাল্টি বক্সের ভেতরে ঘটে গেল এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা। থিও হার্নান্দেজের চ্যালেঞ্জের মুখে বক্সে পড়ে যান লামিন ইয়ামাল। স্পেনের খেলোয়াড়রা পেনাল্টির জন্য জোর আবেদন জানালেও রেফারি ইভান বার্টন তাতে একেবারেই সাড়া দেননি। কাঁধে-কাঁধের এই লড়াইটিকে তিনি বৈধ চ্যালেঞ্জ হিসেবে গণ্য করেন এবং খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
৮৬' | ফ্রান্স ০-২ স্পেন লাইভ: হতাশ এমবাপের হলুদ কার্ড
ফ্রান্স শিবিরের হতাশা এবার রূপ নিল ক্ষোভে। বল দখলের লড়াইয়ে উনাই সিমোনকে ফাউল করে রেফারির সতর্কবার্তা (হলুদ কার্ড) খাতাভুক্ত হলেন কিলিয়ান এমবাপে। এই ফাউলের কারণে স্পেন নিজেদের অর্ধে একটি ফ্রি-কিক পায়। ম্যাচ থেকে সময় যত দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে, এই হলুদ কার্ডটি যেন ফ্রান্স অধিনায়কের জন্য আজকের এই কঠিন রাতটির এক চরম প্রতিচ্ছবি হয়ে রইল।
৭৪' | ফ্রান্স ০-২ স্পেন লাইভ: মাঠ ছাড়লেন ওয়ারসাবাল
আজকের সন্ধ্যার প্রথম পরিবর্তনটি করল স্পেন; গোলদাতা মিকেল ওয়ারসাবাল মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন, আর তাঁর জায়গায় মাঠে নামলেন ফেরান তোরেস। পেনাল্টি থেকে ম্যাচের প্রথম গোলটি করার পাশাপাশি দুর্দান্তভাবে স্পেনের আক্রমণভাগকে নেতৃত্ব দেওয়ার পর, গ্যালারির উষ্ণ করতালির মধ্য দিয়ে মাঠ ছাড়েন ওয়ারসাবাল। এখন তোরেসের দায়িত্ব হলো স্প্যানিশ দল ‘লা রোহা’ যাতে ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়তে পারে, সেই লক্ষ্য ধরে রাখা।
৬১' | ফ্রান্স ০-২ স্পেন লাইভ: অফসাইডের সিদ্ধান্তে বাতিল ইয়ামালের গোল, তুঙ্গে বিতর্ক
মাইক মাইনিয়ঁকে পরাস্ত করে লামিন ইয়ামাল একটি দুর্দান্ত বাঁকানো শটে বল জালে জড়ান এবং উল্লাসে মেতে ওঠেন। কিন্তু সাথে সাথেই সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তোলেন। এই সিদ্ধান্তটি যে বড়সড় বিতর্কের জন্ম দেবে তা নিশ্চিত, কারণ রিপ্লে দেখে মনে হচ্ছে এটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম একটি সিদ্ধান্ত ছিল। ফ্রান্স আরও একটি বড় বিপদ থেকে বেঁচে গেল, আর স্পেন আফসোস করতে লাগল কী হতে পারত তা ভেবে।
৫৮' | ফ্রান্স ০-২ স্পেন লাইভ: পোরোর গোলে স্পেনের ব্যবধান দ্বিগুণ
ডেল্লাসের মাঠে স্পেন যেন ফুটবলের এক মাস্টারক্লাস প্রদর্শনী মেলে ধরেছে, একটি নিখুঁত ও চমৎকার আক্রমণ ফ্রান্সের রক্ষণভাগকে একেবারে তছনছ করে দেয় যখন দানি ওলমো আলতো পাসে বল বাড়িয়ে দেন লামিন যামালের দিকে এবং এই তরুণ তুর্কি নিজে শট না নিয়ে নিঃস্বার্থভাবে বল বাড়িয়ে দেন পেড্রো পোরোর উদ্দেশে যিনি সঠিক সময়ে বক্সে পৌঁছে বলটি জালে জড়িয়ে দেন, পাস, মুভমেন্ট, পাস এবং গোল, লা রোজাদের এই নিখুঁত ফুটবল প্রদর্শনী তাদের ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিল বলা যায়
৫২' | ফ্রান্স ০-১ স্পেন লাইভ: বড় সুযোগ হাতছাড়া করলেন ওয়ারজাবাল
স্পেন এখন অনায়াসেই দুই গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত, যখন বক্সের ভেতরে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়েও মিকেল ওয়ারজাবাল শটটি গোলপোস্টের ভেতরে রাখতে ব্যর্থ হন এবং এক চমৎকার পজিশন থেকে বলটি ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন, দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই দিদিয়ের দেশঁর দল যেভাবে নিজেদের রক্ষণভাগকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে, তাতে ফ্রান্স আরও একটি নিশ্চিত বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেল বলা যায়
প্রথমার্ধের বিরতি | ফ্রান্স ০-১ স্পেন লাইভ: ওয়ারজাবালের পেনাল্টিতেই ব্যবধান গড়ে দিল সেমিফাইনালিস্টরা
বক্সের ভেতরে লুকাস দিগনে লামিন যামালকে ফাউল করায় স্পেনের পক্ষে পেনাল্টি পেয়েছিলেন মিকেল ওয়ারজাবাল। আর সেই পেনাল্টি থেকে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী শটে গোল করে স্পেনকে প্রথমার্ধের শেষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রাখলেন তিনি। প্রথমার্ধের অধিকাংশ সময় জুড়েই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল স্পেন এবং মাঠে তাদের অনেক বেশি সংযত দেখিয়েছে। অন্যদিকে, ফ্রান্স মূলত তাদের আক্রমণগুলো তৈরি করার জন্য কিলিয়ান এমবাপের পাল্টা আক্রমণের গতির ওপরই ভরসা করে ছিল।
এরই মাঝে উইলিয়াম সালিবা পিঠের চোটের কারণে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়ায় বড় ধাক্কা খায় ফরাসি শিবির। প্রথমার্ধের শেষের দিকে স্প্যানিশ গোলকিপার উনাই সিমন দারুণভাবে 'সুইপার-কিপার' হিসেবে বসের বাইরে এসে এমবাপের একটি নিশ্চিত আক্রমণ প্রতিহত করেন। ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশঁর সামনে এখন অনেক কিছু ভাবার রয়েছে, কারণ বিশ্বকাপের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে হলে ফ্রান্সকে দ্বিতীয়ার্ধে অনেক উন্নত ফুটবল খেলতে হবে।
৪৫' | ফ্রান্স ০-১ স্পেন লাইভ: উত্তেজনা বাড়ার সাথে সাথেই প্রথমার্ধে যোগ হলো আরও ছয় মিনিট
প্রথমার্ধের শেষে অতিরিক্ত আরও ছয় মিনিট সময় যোগ করা হয়েছে, আর এরই মধ্যে ফরাসি শিবিরের মধ্যে হতাশার ছাপ স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। বল নিজেদের দখলে রেখে ফ্রান্স যেখানে ম্যাচে প্রভাব খাটাতে রীতিমতো লড়াই করছে, সেখানে স্পেন কিন্তু ম্যাচের গতি সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
ঠিক এর কিছুক্ষণ আগেই, ফ্যাবিয়ান রুইজ ফরাসি তারকা উসমান ডেম্বেলেকে ফাউল করায় রেফারি ইভান বার্টন প্রথমে ফ্রান্সের পক্ষে ফ্রি-কিকের নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু পরক্ষণেই অপ্রত্যাশিতভাবে তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন। রেফারির এমন অদ্ভুত সিদ্ধান্ত মাঠের খেলোয়াড় থেকে শুরু করে গ্যালারির দর্শক—সবাইকেই বেশ ধাঁধায় ফেলে দেয়, যা এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ সেমিফাইনাল ম্যাচে বিতর্কের এক নতুন উপাদান যোগ করল।
৪১' | ফ্রান্স ০-১ স্পেন লাইভ: দু-দুবার অফসাইডের ফাঁদে এমবাপে
কিলিয়ান এমবাপের ঠিক সময়ে দৌড় শুরু করার হিসাবটা আজ যেন মিলছেই না। ম্যাচে সমতা ফেরানোর জন্য যখন ফরাসি ব্রিগেড মরিয়া হয়ে রাস্তা খুঁজছে, ঠিক তখনই মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে অধিনায়ক এমবাপে দু-দুবার অফসাইডের ফাঁদে পড়লেন। দুটি সিদ্ধান্তই অবশ্য খুব সূক্ষ্ম ছিল, তবে সহকারী রেফারির অফসাইডের পতাকা ফ্রান্সের দুটি সম্ভাবনাময় আক্রমণকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দেয়।
৩৪' | ফ্রান্স ০-১ স্পেন লাইভ: অফসাইডের পতাকায় আটকে গেলেন বাএনা
স্পেন ভেবেই নিয়েছিল তারা ম্যাচে আরও একবার ব্যবধান বাড়িয়ে নিয়েছে, যখন অ্যালেক্স বাএনা ফ্রান্সের ডিফেন্ডার দায়োত উপামেকানোকে পিছনে ফেলে তাঁর পেছনের ফাঁকা জায়গায় বিদ্যুৎ গতিতে ঢুকে পড়েন। ফরাসি গোলকিপার মাইক মাইনান নিজের গোললাইন ছেড়ে ছুটে আসেন এবং স্প্যানিশ তারকার সঙ্গে তাঁর একটি জোর ধাক্কাও লাগে, তবে শেষ পর্যন্ত সহকারী রেফারির অফসাইডের পতাকায় এই আক্রমণ থমকে যায়। বাএনা সামান্য অফসাইডে পজিশনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যার ফলে আরও একটি বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেল ফ্রান্স।
২৮' | ফ্রান্স ০-১ স্পেন লাইভ: সালিবার চোট বাড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন এমবাপে
পাউ কুবার্সির প্রবল চাপে মাঠে পড়ে যাওয়ার পর কিলিয়ান এমবাপে চরম হতাশ হয়ে পড়েন, তবে রেফারি ইভান বার্টন তাঁর পেনাল্টির আবেদন সরাসরি নাকচ করে দেন। এর কিছু মুহূর্ত পরেই ফ্রান্সের সমস্যা আরও বাড়ে, যখন উইলিয়াম সালিবা পিঠ চেপে ধরে মাঠেই শুয়ে থাকেন। টাচলাইনের ধারে ইতিমধ্যেই ম্যাক্সেন্স ল্যাক্রোইক্স গা গরম করা শুরু করে দিয়েছেন, যার ফলে ফরাসি শিবিরের রক্ষণভাগে একটি দ্রুত পরিবর্তন এখন সময়ের অপেক্ষা বলে মনে হচ্ছে।
২০' | ফ্রান্স ০-০ স্পেন লাইভ: পেনাল্টি! সুবর্ণ সুযোগ পেল স্পেন
স্পেনের পক্ষে পেনাল্টি! সেমিফাইনালের মঞ্চে এক চরম নাটকীয় মুহূর্ত তৈরি হলো যখন ফ্রান্সের ডিফেন্ডার লুকাস দিগনে নিজেদের বক্সের ভেতরে লামিন যামালকে ফাউল করে বসলেন। ফরাসি ডিফেন্ডার অবশ্য রেফারির এই সিদ্ধান্তের কড়া প্রতিবাদ জানান, তবে রিপ্লেতে পরিষ্কার দেখা যায় যে স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড পেছন থেকে দৌড়ে আসার সময় দিগনে তাঁর গতিবিধি একেবারেই আন্দাজ করতে পারেননি এবং শরীরের ধাক্কা লেগে যায়। রেফারি ইভান বার্টন কোনওরকম দ্বিধা না রেখে সরাসরি পেনাল্টির নির্দেশ দেন, যার ফলে ম্যাচের ডেডলক বা অচলবস্থা ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার এক বিশাল সুযোগ পেয়ে গেল স্পেন।